Archives

All posts for the month January, 2016

ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব- ০২

Published January 31, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

#ইঞ্জিনিয়ারিং_সংক্রান্ত_পোষ্ট পর্ব: ০২:

সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অথচ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার স্বপ্ন নেই এমন স্টুডেন্ট পাওয়া দূর্লভ। এই পোষ্টে থাকছে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের আসন সংখ্যা, আবেদনের যোগ্যতা, মানবন্টন। আজকের আলোচনা যবিপ্রবি নিয়ে

যবিপ্রবি নব্যপ্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাঝে অন্যতম। ২০০৮ সালে একাডেমীক কার্যক্রম শুরু করা এই বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যেই একাডেমীক গতিশীলতা, কোর্স কারিকুলামের জন্য সুনাম অর্জন করেছে। সেশন জট নেই এবং অনেকগুলো ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট রয়েছে।

যবিপ্রবি(A unit/ ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ):

ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং – ৩৫ টি আসন

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল(CSE) – ৫০ টি আসন

ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং(IPE) – ৩৫ টি আসন

কেমিকৌশল বিভাগ(ChE) – ৪০ টি আসন

পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং – ৩৫ টি আসন

**মেকানিক্যাল ও বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ অচিরেই খোলা হবে 😉 🙂

**বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

আবেদনের যোগ্যতা(২০১৫ র সার্কুলার অনুযায়ী):

মাধ্যমিক/সমমান ও উচ্চমাধ্যমিক/সমমান উভয় পরীক্ষায় চতূর্থ বিষয়সহ নূন্যতম জিপিএ ৩.০০ সহ মোট জিপিএ ৭.০০ থাকতে হবে। উচ্চমাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে নূন্যতম A- থাকতে হবে।

মেধাক্রম গণনা :
৮০ নাম্বারের MCQ পরীক্ষা + ২০ নাম্বার জিপিএ হতে, মোট ১০০ নাম্বারে মেধাক্রম গণনা করা হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন:

ইংরেজী – ১০, পদার্থবিজ্ঞান – ২৫, গণিত – ২৫, রসায়ন – ২০

মোট: ৮০

জিপিএ গণনা :

নিয়মিত/ফার্স্ট টাইমার দের জন্য:
(মাধ্যমিকের জিপিএ+উচ্চমাধ্যমিকের জিপিএ)* ২

অনিয়মিত/সেকেন্ড টাইমার/ইমপ্রুভ দের জন্য:
(মাধ্যমিকের জিপিএ+উচ্চমাধ্যমিকের জিপিএ)* ১.৯০

পরীক্ষার সময়: ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট

#ক্যালকুলেটর_ব্যবহার_করা_যাবে_নাহ

বি.দ্র: পরীক্ষায় প্রাপ্ত নাম্বার প্রকাশ করা হয় না। তাই “কতো” পেলে “কোন” সাবজেক্ট পাওয়া যায় জিজ্ঞাসা করে লাভ নাই।

লিখছেন:

Koushik Kumar Biswas, Department Of Electrical & Electronics Engineering (EEE), Shahjalal University Of Science & Technology (SUST). Facebook: http://www.facebook.com/koushikkumar.biswas

Koushik Kumar Biswas, Department Of Electrical & Electronics Engineering (EEE), Shahjalal University Of Science & Technology (SUST).
Facebook: http://www.facebook.com/koushikkumar.biswas

Advertisements

ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০১

Published January 31, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

#ইঞ্জিনিয়ারিং_সংক্রান্ত_পোষ্ট পর্ব-০১:
.
সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অথচ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার স্বপ্ন নেই এমন স্টুডেন্ট পাওয়া দূর্লভ। এই পোষ্টে থাকছে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের আসন সংখ্যা, আবেদনের যোগ্যতা, মানবন্টন। আজকের আলোচনা শাবিপ্রবি নিয়ে

শাবিপ্রবি : শাবিপ্রবি বাংলাদেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ইতোমধ্যেই অর্জনের দিক থেকে অনন্য। প্রতিনিয়ত প্রোগ্রামিং ও রোবোটিক্স প্রতিযোগীতা গুলোয় শাবিপ্রবি ভালো করছে। ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট গুলো পড়ার জন্য অনেকের লক্ষ্য হতে পারে শাবিপ্রবি। ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট গুলো এবং আসন সংখ্যা নিন্মে দেওয়া হলো:

গ্রুপ – ১

১।কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং(CSE)- ৬০ টি আসন

২।ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং(EEE)- ৩৫ টি আসন

৩।মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং(MEE)- ৩৫ টি আসন

৪।ইন্ড্রাসট্রিয়াল প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং(IPE)- ৫০ টি আসন

৫।কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সায়েন্স(CEP)- ৫০ টি আসন

৬।সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং(CEE) – ৫০ টি আসন

৭।পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং(PME) – ৩৫ টি আসন

৮।ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি(FET) – ৪০ টি আসন

গ্রুপ – ৩

১।আর্কিটেকচার(ARC) – ৩০ টি আসন

এই বছরে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের পছন্দের ক্রম: CSE>EEE>MEE>IPE>CEP>CIVIL> PME>FET

আবেদনের যোগ্যতা: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পৃথক ভাবে নূন্যতম জিপিএ ৩.০০ সহ মোট নূন্যতম ৭.০০ থাকতে হবে।

বিষয়ভভিত্তিক যোগ্যতা:
একটি নির্দিষ্ট বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় নূন্যতম জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে

CSE, EEE, IPE, ARC, MEE – পদার্থবিজ্ঞান, গণিত

CEE, PME – পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত

CEP – রসায়ন, গণিত

FET – জীববিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত

পরীক্ষার মানবন্টন(গ্রুপ ১ এর বিষয়গুলোর জন্য):

ইংরেজী-১০, পদার্থবিজ্ঞান-২০, রসায়ন-২০, গণিত-২০

মোট – ৭০

সময়: ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট

পরীক্ষার মানবন্টন(গ্রুপ ১ ও গ্রুপ ৩ এর বিষয়গুলোর জন্য):

ইংরেজী-১০, পদার্থবিজ্ঞান-২০, রসায়ন-২০, গণিত-২০, স্থাপত্য ও ড্রয়িং বিষয়ক সাধারন জ্ঞান – ৩০

মোট – ১০০

সময় : ২ ঘন্টা

মেধাক্রম গণনা : মোট ১০০ নাম্বারে মেধাক্রম গণনা করা হবে। ৩০% আসবে জিপিএ হতে আর ৭০% আসবে ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নাম্বার হতে

জিপিএ গণনা :

নিয়মিতদের ক্ষেত্রে:
(মাধ্যমিকের জিপিএ+উচ্চমাধ্যমিকের জিপিএ)* ৩

অনিয়মিতদের ক্ষেত্রে/সেকেন্ড টাইমার দের ক্ষেত্রে:
(মাধ্যমিকের জিপিএ+উচ্চমাধ্যমিকের জিপিএ)* ২.৭

লিখছেন:

Koushik Kumar Biswas, Department Of Electrical & Electronics Engineering (EEE), Shahjalal University Of Science & Technology (SUST). Facebook: http://www.facebook.com/koushikkumar.biswas

Koushik Kumar Biswas, Department Of Electrical & Electronics Engineering (EEE), Shahjalal University Of Science & Technology (SUST).
Facebook: http://www.facebook.com/koushikkumar.biswas

স্বপ্ন পূরণের বাস্তব গল্প

Published January 28, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

#স্বপ্ন_পূরণের_বাস্তব_গল্প:
.
ছেলেটার স্বপ্ন ছিলো প্রকৌশলী হবে। গ্রামের একটি স্কুল থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ সহ পাশ করার পর শহরের একটি সরকারি কলেজে ভর্তি হয়। ছেলেটা নিজের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করার পর ঢাকার একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়।
.
ভালোই চলছিল তার কোচিং লাইফ। নিয়মিত কোচিং এ ক্লাস করে ও কোচিং এর সব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ছেলেটার মাঝে সঞ্চার হয়েছিলো হিউজ পরিমাণে কনফিডেন্স। তার স্বপ্ন পুরণে বাধা আসল ৯ আগস্টে, এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিন। ঐ দিন তার রুমমেটরা, কোচিংমেটরা জিপিএ-৫ পেলেও সে পায় নি। তার জিপিএ ছিল- ৪.৭৫।
.
পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও ইংলিশে ছিল না পর্যাপ্ত জিপিএ। তাই, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন তার সেদিন শেষ হয়ে গেলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল সাবজেক্টে পড়ার চান্স তখনও তার সামনে খোলা ছিল।
.
রেজাল্টের দিন সে কষ্ট পেয়েছিলো শুধুমাত্র একটা কারণে। তার বাবা সেইদিন তাকে ফোন করে বলেছিল, “অমকের বাবা বাজারে লোকজনদের মিষ্টি খাওয়ালো, তার ছেলে এ+ পেয়েছে বলে; আমার কি ইচ্ছা করে না, আমিও মানুষদের মিষ্টি খাওয়াই?”
.
বাবার এই কথাটা শুনে সে খু্ব কষ্ট পেলেও ভেঙ্গে পড়েনি। রেজাল্ট পেয়ে সে হতাশ হয়নি, বরং দুই রাকাত নফল নামায আদায় করে আল্লাহর কাছে সেদিন সে কেঁদেছিল। এতই কান্না করেছিল যে, সৃষ্টিকর্তার কাছে সেদিন সে কিছু চাইতে পারেনি। কিন্তু, আল্লাহ তাওয়ালা মহান, তিনি সবার মনের অবস্থাটা বুঝতে পারেন। সে না চাইলেও আল্লাহ তা ঠিকই শুনেছিল। ছেলেটা মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করছিল।
.
.
কিন্তু, বারবার সে ব্যর্থ হচ্ছিলো। এ যেন এক কঠোর ধৈর্যের পরীক্ষা। দেখতে দেখতে সব ভার্সিটির এক্সাম শেষ হয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু কোথাও তার চান্স হচ্ছিলো না। তবে, সেও ধৈর্য হারা হয়নি। লেগেছিল শেষ পর্যন্ত। অবশেষে, ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয় কুবি, নোবিপ্রবি, ঢাবি প্রযুক্তি ইউনিট এই তিনটার ভর্তি পরীক্ষা। এই তিনটা পরীক্ষার মধ্য দিয়েই শেষ হচ্ছিল ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি যুদ্ধ। ছেলেটা এই তিনটা এক্সামেই অংশগ্রহণ করেছিল। আল্লাহ তাওয়ালার অশেষ রহমতে, সে এই তিনটা প্রতিষ্ঠানেই চান্স পেয়েছিল। নোবিপ্রবি-তে এনভারয়নমেন্টাল সায়েন্স, কুবিতে গণিত ও প্রযুক্তি ইউনিটে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পেয়েছিল। বর্তমানে সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবিতে) গণিত বিভাগে ভর্তি হয়ে আছে।
.
সে বিশ্বাস করে, আল্লাহ এর মধ্যেই তার মঙ্গল লিখে রেখেছেন। আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যেই করেন। আল্লাহ তাওয়ালা কারও সাথে অবিচার করেন না।
.
এই ছেলেটা কে, জানো?
.
……..-এই ছেলেটা আর কেউই নয়, এই ছেলেটা আমি।
.
.
আল্লাহ আমাকে প্রকৌশল সাবজেক্টে পড়তে দেয়নি, কারণ সেটাতে আমার মঙ্গল ছিলো না। আল্লাহ আমাকে এখন যেখানে যে সাবজেক্টে রেখেছেন, এটাই আমার জন্যে সর্বোত্তম জায়গা।
.
.
ভাই, তোমরা যারা ভর্তি পরীক্ষা দিবে তাদেরকে বলছি; হতাশ হয়ো না, চেষ্টা করো শেষ পর্যন্ত। তোমার চেস্টা সঠিক হলে, অবশ্যাই তুমি সফল হবে।
.
.
আল্লাহ তাওয়ালা কারও সাথে কোন অবিচার করেন না।
.
.
লিখেছেন:

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University. Mobile: 01737-101388 Email: nazmulhaque.120413@gmail.com Facebook: www.facebook.com/nazmul120413

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University.
Mobile: 01737-101388
Email: nazmulhaque.120413@gmail.com
Facebook: http://www.facebook.com/nazmul120413

কনফিডেন্স টু হতাশা

Published January 27, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

কনফিডেন্স টু হতাশা:

ভর্তি পরীক্ষার শুরুতে একজন ছাত্রের মধ্যে প্রচুর কনফিডেন্স সঞ্চারিত থাকে। কনফিডেন্সের পরিমাণ এতই তীব্র যে, সে প্রায় ভূলেই যেতে থাকে অসম্ভব বলে কিছু নাই! কিন্তু, প্রতিযোগিতার শেষে যখন কারও চান্স হয় না, তখন তার উপর ভর করে তীব্র পরিমাণে হতাশা। এ যেন কনফিডেন্সের রূপান্তর! কনফিডেন্স টু হতাশা!
.
প্রতিযোগিতা মানে কেউ টিকবে, কেউ বাদ যাবে। তুমি নিজেও জানো যেকোন ধরনের প্রতিযোগিতায় একজন ফার্স্ট, একজন সেকেন্ড এবং একজন থার্ড স্থান অধিকার করে। তবে, ভর্তি পরীক্ষার যুদ্ধ নামে যে প্রতিযোগিতা চলছে, তাতে জয়ী অনেকেই হয়; তবে মোটের তুলনায় নগন্য। কেননা, বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট সিটের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ গুণ। যাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স হয় না, তারা কি ভালো পজিশন হোল্ড করে না?
.
এখন যদি আমি কয়েকজনের উদাহরণ দিতে থাকি, তোমরা কেউ কেউ বলতে পারো, “ভাইয়া, দুই একজন তো ব্যতিক্রম থাকতেই পারে, তার মানে এটা নয় যে আমরা সবাই ভালো পজিশন হোল্ড করব?’
.
ভাই তোমাদের বলছি, মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করলে, অসম্ভব আর অসম্ভব থাকে না, এটা সম্ভবে রূপান্তর হয়ে যায়। যেটা তোমার জন্যে অসম্ভব, সেটাকে সম্ভবে রুপান্তর করার চেষ্টা করো। আসলে, পৃথিবীতে মানুষ করতে পারে না, এরকম কোন ভালো কাজ নেই।
.
শুরুতে “কনফিডেন্স টু হতাশা”র রূপান্তর নিয়ে বলছিলাম। হ্যা, কনফিডেন্স কে কখনও হতাশায় রুপান্তর হতে দিও না।
.
আমি সবসময় একটা কথাই বিশ্বাস করি, চেস্টা করলে মানুষ বিফল হয় না। কারণ- পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাওয়ালা বলেছেন, “আর তিনি (আল্লাহ) কারও সাথে অবিচার করেন না”।
.
তাই, ভেঙ্গে পরো না। নিজের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রেখে সফল হওয়ার দুর্গম পথে এগিয়ে যেতে থাকো, একদিন সুফল পাবে।
.
শুভ কামনা তোমাদের জন্যে।
.
.
লিখেছেন:

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University. Mobile: 01737-101388 Email: nazmulhaque.120413@gmail.com Facebook: www.facebook.com/nazmul120413

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University.
Mobile: 01737-101388
Email: nazmulhaque.120413@gmail.com
Facebook: http://www.facebook.com/nazmul120413

স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৭

Published January 26, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৭
.
আজকে IELTS নিয়ে শেষ পর্বে অনেক কিছু আলোচনা করলাম আসা করি তোমাদের অনেক কাজে লাগবে 🙂 ।
.
☞ IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতি ও পরীক্ষা সংক্রান্ত কিছু তথ্য—-
.
✳ শুরুতেই একটি মডেল টেস্ট দাও এতে নিজের দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা পাবে।কত নম্বর পেলে স্কোর কেমন হবে, এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে পার 🙂 ।
.
✳ ভুল বানানের জন্য নম্বর কমে যায় তাই বানানে সতর্ক হও।
.
.
✳ যে কয় শব্দে উত্তর দিতে বলা হয়, সে কয় শব্দই লিখতে হবে। দুটি শব্দের মধ্যে উত্তর লিখতে বললে তুমি এক বা দুই শব্দ ব্যবহার করতে পার। কিন্তু দুইয়ের বেশি শব্দ হলে নম্বর পাবে না।
.
✳ ভুল উত্তরের জন্য কোনো নম্বর কাটা যায় না। কাজেই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা কর 🙂 ।
.
✳ স্পিকিংয়ে (speaking) ভালো করতে হলে বন্ধুবান্ধব,পরিচিতদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলার অভ্যাস কর।
.
.
✳ অনেকে খুব ভালো ইংরেজি জানে। কিন্তু বলতে অসুবিধা বোধ করেন। এ পরীক্ষার জন্যই নিয়মিত প্রস্তুতি নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ 🙂 ।
.
✳ প্রশ্নপত্র সমাধান করে তুমি নিজেই অনেকখানি মূল্যায়ন করতে পারবে। তবে আরও নির্ভরযোগ্যতার জন্য মক টেস্ট (Mock Tast) দিতে পার। ব্রিটিশ কাউন্সিল, উইংসসহ (Wings) বিভিন্ন কোচিং সেন্টার যেমন সাইফুরস, মেন্টরস, গেটওয়েতে নির্দিষ্ট ফির বিনিময়ে মকটেস্ট দেওয়া যায়।
.
✳ পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে খুব ভালোভাবে জেনে নাও।
.

☞IELTS এর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া—
.
পরীক্ষার আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ঢাকা, চট্টগ্রাম অথবা সিলেট শাখায়। তাদের অনুমোদিত ‘রেজিস্ট্রেশন পয়েন্ট’ সাইফুর’স, গেটওয়ে ও মেনটরস থেকেও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। পরীক্ষার তিন থেকে চার সপ্তাহ আগেই রেজিস্ট্রেশন করা ভালো 🙂 ।
.
.
পরীক্ষার্থীরা অনলাইনেও রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। ফি পরিশোধ-সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা অনলাইনেই পাওয়া যাবে।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের অফিশিয়াল সাইটের ‘রেজিস্ট্রার ফর আইইএলটিএস’ থেকে ‘রেজিস্ট্রার অনলাইন’ ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য এন্ট্রির মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা সহজেই রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। রেজিস্ট্রেশন করতে খরচ পড়বে ১০ হাজার টাকা 🙂 ।
.
[বি.দ্র: রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর পাসপোর্ট থাকা আবশ্যক। রেজিস্ট্রেশনের সময় পাসপোর্টের ১ম ৪ পৃষ্ঠার ফটোকপি জমা দিতে হবে।]
.
৩ কপি সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট আকারের ছবি ( ছয় মাসের অধিক পুরানো নয় এমন ছবি) এবং রেজিস্ট্রেশন ফরমে চশমা পরিচিত ছবি গ্রহণযোগ্য নয় 🙂 ।
.
.
তোমার নিবন্ধন ফর্ম কাছের কোন ব্রিটিশ কাউন্সিল অফিস অথবা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ব্রাঞ্চের বুথে অথবা রেজিস্ট্রেশন পয়েন্টে জমা দাও 🙂 ।
.
তুমি তোমার পরীক্ষার খরচ ব্যাংক ড্রাফট অথবা নগদ অর্থের মাধ্যমে ব্রিটিশ কাউন্সিলে অথবা রেজিস্ট্রেশন পয়েন্ট অথবা ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিপোজিট স্লিপ পূরন করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের শাখাগুলোতে জমা দিতে পার 🙂 । বিস্তারিত তথ্য জানতে ব্রিটিশ কাউন্সিল এ যোগাযোগ কর।
.
.
☞ British council IELTS Registration Points: ব্রিটিশ কাউন্সিল আইইএলটিএস রেজিস্ট্রেশন পয়েন্টস—–
.
✔ S@ifur’s: Suvastu Tower (3rd Floor), 69/1, Green Road, Panthapath, Dhaka.
.
Tel: +880 2 911 85 11/01824-999 888; website: http://www.saifurs.org
.
✔ Gateway: 3/3 Block-A Lalmatia, Dhaka 1207, (Behind Sunrise Plaza)
.
Tel: +880 2 9125092, 8118250; Fax: 8121727 Ext-120 website: http://www.gateway-edu.net
.
✔ Mentors: 166/1, Mirpur Road, Kalabagan, Dhaka-1205
.
Tel: +880 2 9131828, 9141795; website: http://www.mentors.com.bd
.
☞ Standard Chartered Bank branches for IELTS registration (British Council): আইইএলটিএস রেজিস্ট্রেশনের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের শাখাগুলোঃ (ব্রিটিশ কাউন্সিল)
.
.
✔ Dhanmondi Branch: House –37, Road-2, Dhanmondi R/A, Dhaka 1205.
.
House –11, Road-5, Dhanmondi R/A, Dhaka 1205.
.
✔ Gulshan Branch: Block No. NE (K), 3A/1, Holding No. 168, Gulshan Avenue, Dhaka.
.
✔ SCB House, 67 Gulshan Avenue, Gulshan, Dhaka- 1212.
.
✔ Uttara Branch: House-81 A, Road –7, Sector-4, Uttara, Dhaka-1230.
.
✔ Sheraton Branch: Dhaka Sheraton Hotel (BSL Complex), 1 Minto Road, Dhaka 1000.
.
✔ Mirpur Branch: Plot- 1, Road- 12, Block- C, Section 6, Mirpur, Dhaka 1221.
.

.
☞IELTS পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ—-
.
ব্রিটিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে প্রতি মাসে তিনবার করে বছরে ৩৬ বার আইইএলটিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় 🙂 । আগে, কোনো পরীক্ষার্থী আশানুরূপ না পেলে পরে পরীক্ষা দিতে হতো প্রথম পরীক্ষার অন্তত তিন মাস পর। এখন নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত স্কোর পাওয়ার আগ পর্যন্ত যতবার খুশি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে 🙂 ।
.
সাধারণত আইইএলটিএস ফল প্রকাশিত হয় পরীক্ষার ১৩ দিন পর। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া ব্রিটিশ কাউন্সিল এর ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার্থীর নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, জন্মতারিখ, পরীক্ষা প্রদানের তারিখ এন্ট্রি করে সহজেই জেনে নিতে পারবে আইইএলটিএস পরীক্ষার ফলাফল।
.
.
যদি তোমার পরীক্ষার ফলের ওপর কোন সন্দেহ থাকে তবে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ‘এনকুয়ারি অন রেজাল্ট’-এর জন্য আবেদন করতে পারবে। এজন্য তোমাকে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হবে, ফলাফলে ভুল ধরা পড়লে অবশ্যই তুমি ওই টাকা ফেরত পাবে। ছয় থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই ব্রিটিশ কাউন্সিল তোমার পুনঃনম্বরকৃত ফলাফল ফিরে পাবে এবং তখন ব্রিটিশ কাউন্সিল তোমার সাথে যোগাযোগ করবে 🙂 ।
.
আইইএলটিএস পরীক্ষার ফলাফল। যদি আপনার পরীক্ষার ফলের ওপর কোন সন্দেহ থাকে তবে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ‘এনকুয়ারি অন রেজাল্ট’-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হবে, ফলাফলে ভুল ধরা পড়লে অবশ্যই আপনি ওই টাকা ফেরত পাবেন। ছয় থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই ব্রিটিশ কাউন্সিল আপনার পুনঃনম্বরকৃত ফলাফল ফিরে পাবে এবং তখন ব্রিটিশ কাউন্সিল আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
.
.
☞ পরীক্ষা কেন্দ্রে কি কি নিয়ে যেতে হবে—
.
মেয়াদ আছে এমন একটি আসল পাসপোর্ট
কলম, পেন্সিল এবং রাবার (চাইলে সাপ্নারও নিতে পার)
.
মোবাইল ফোন এবং অনান্য জিনিষ অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে এবং সাথে যা যা ( ব্যাগ, বই ইত্যাদি) ব্যাক্তিগত জিনিসপত্র নির্দিষ্ট দ্বায়িতে থাকা ব্যাক্তির কাছে জমা রাখতে হবে।
.
☞ আইইএলটিএস ও টোফেল এর পার্থক্য–
.
আইইএলটিএসে রাইটিং অংশটি ম্যানুয়ালি যাচাই করা হয় কিন্তু টোফেল সম্পূর্ণ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত। তাই আইইএলটিএসে রাইটিংয়ের দক্ষতা ভালভাবে যাচাই হয়। মজার বিষয় হলো, এখন আইইএলটিএস যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায়ও গ্রহণ করা হচ্ছে, আগে সেখানে শুধু টোফেল স্কোর গ্রহণ করা হতো 🙂 ।
.

আইইএলটিএস পরীক্ষার মানদণ্ড
আইইএলটিএসে পাস-ফেলের ব্যাপার নেই। এখানে নয় ব্র্যান্ডের একটি স্কোরিং পদ্ধতি চালু আছে। প্রতিটি পৃথক সেকশনের ব্র্যান্ডের দ্বারা সামগ্রিক ব্র্যান্ডের মান যাচাই করা হয়। এখানে নয় স্কোর করার মানে হলো, ইংরেজীতে আপনি দারুণ এক্সপার্টর্ট, ইংরেজীর ওপর আপনার সম্পূর্ণ দক্ষতা আছে। আট মানে হলো, প্রায় সম্পূর্ণ দক্ষতা থাকলেও কালেভদ্রে কোন বিশেষ সেকশনে তোমার সমস্যা হয়ে থাকে। সাত স্কোর মানে তুমি চলনসই। এভাবেই ব্র্যান্ডগুলোর বিন্যাস করা হয়েছে 🙂 ।
.
☞ আইইএলটিএসের প্রস্তুতি অনলাইনে—
.
অনলাইনে আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং ভালো স্কোর পেতে সহায়ক এমনসব তথ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে বেশ কিছু ওয়েবসাইট। রাইটিং, রিডিং, স্পিকিংয়ের ওপর বিশদ ধারণা, লেসন, অডিও টিউটোরিয়ালসহ প্রয়োজনীয় সব কিছুই যুক্ত করা হয়েছে এসব সাইটগুলোতে। আইইএলটিএস প্রস্তুতিতে সহায়ক এমন কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা নিচে দিলাম
.

.
http://www.britishcouncil.org/professionals-exams-ielts-intro.htm
.
http://www.ielts-exam.net
.
http://www.ielts.studyau.com
.
http://www.candidates.cambridgeesol.org/cs
.
http://www.cross-link.com/ielts-tutor.html
.
http://www.uefap.co.uk
.
ভালোভাবে শেষ করে ফেললাম IELTS নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। সামনে বেচে থাকলে ইনসাআল্লাহ ভাল কিছু নিয়ে আসব :

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia. fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia.
fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Inistitutes Of Business Administration (IBA)

Published January 24, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

►আইবিএ কি?
ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনেসট্রশন
এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধীনে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান
যেখানে বিবিএ ও এমবিএ,
এক্সিকিউটিভ এমবিএ পড়ানো হয়।
►আইবিএ বলতে কি শুধু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএকেই
বোঝায়।
জ্বি না,
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইবিএ
আছে, জাহাঙ্গীরনগরে আইবিএ
আছে কিন্তু যদিও এখনও মানুষ আইবিএ
বলতে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের
আইবিএটাকেই বোঝে।
►আইবিএতে কারা পড়তে পারে?
যেকোন গ্রুপ থেকে (সাইন্স/আর্টস/
কমার্স) এইচ এসসি পাশ করার
পরে বিবিএতে আর যেকোন গ্রুপ
থেকে (সাইন্স/আর্টস/কমার্স) অনার্স/
বিবিএ/বিএসসি অর্থ্যাৎ চার বছরের
যেকোন কোর্স পাশ
করে এমবিএতে ভর্তী পরীক্ষা দেয়া যায়।
►জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের/প্রাইভেট
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-
ছাত্রীরা কি এখানে পড়তে পারবে?
হ্যাঁ অবশ্যই পারেবে এবং এসব
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই
এখানে পড়তেছে।
►এখানে ভর্তীর যোগ্যত কি?
বিবিএতে ভর্তীর যোগ্যতা: যেকোন
গ্রুপ থেকে এসএসসিতে 4.০০,
এইচএসসিতে 3.০০
এমবিএতে ভর্তীর যোগ্যতা: যেকোন গ্রুপ
থেকে এসএসসিতে ৩.০০,
এইচএসসিতে ৩.০০ অনার্স এ সেকেন্ড
ক্লাশ বা ২.৫০ হলেই হবে।
►ডিগ্রীর ছাত্র IBA-MBA করতে পারে?
হ্যাঁ পারে, এটাই আইবিএর স্বতন্ত্র, একজন
বুয়েটের ছেলেও হয়ত বাদ
পড়তে পারে আবার একজন ডিগ্রীর
ছেলেও চান্স
পেতে পারে যদি সে Admission Test এ
ভাল করে।
►আই বি এ তে নাকি ৯০ ভাগ
ইংরেজী মাধ্যম বাকি ১০ ভাগ
নাকি বাংলা মিডিয়ামরা চান্স
পায়?
এ ধারণাটা একসময় ছিল এখন পরিবর্তন
হয়েছে, এখন প্রায় ৫০-৫০ চান্স পায়।
একটা সময় হয়ত আসবে যখন
বাংলামিডিয়াম পাবে ৯০% আর
ওরা হয়ত ১০% কারণ ইংরেজী মিডিয়াম
পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীরা বিদেশে পড়ার
প্রবণতা বেড়ে গেছে ।
►আইবিএর এমবিএতে কয় ধরনের এমবিএ
আছে?
দুই ধরণের-রেগুলার এমবিএ আর
এক্সিকিউটিভ এমবিএ
রেগুলার এমবিএর আবার দুটো ধরণ
আছে একটা পার্ট টাইম যেটার ক্লাশ হয়
সন্ধ্যায়, আর ফুল টাইম- এদের ক্লাশ হয়
দিনের বেলায়, এছাড়া এক্সিকিউটিভ
এমবিএর ক্লাশও রাতে হয়।
►এক্সিকিউটিভ এমবিএর জন্য
যোগ্যতা কি লাগে?
০৪ বছর মেয়াদী অনার্স পাশ +
কমপক্ষে ০৩ বছরের চাকুরীর অভিজ্ঞতা
►এক্সিকিউটিভ এমবিএ আর রেগুলার
এমবিএর মধ্যে পার্থক্য কি?
রেগুলার এমবিএর মোট কোর্স ২০টি,
এক্সিকিউটিভ এমবিএ এর মোট কোর্স ১২
টি, রেগুলার এমবিএ করতে সময় লাগে ২
বছর থেকে ৩.৫ বছর আর এক্সিকিউটিভ
এমবিএ করতে সময় লাগে ১.৫ থেকে ২
বছর, রেগুলার এমবিএ পড়তে মোট খরচ ৭৫
হাজার টাকার মত আর এক্সিকিউটিভ
এমবিএ এর মোট খরচ ২.৫ লাখ প্রায়।
রেগুলার এমবিএ
করতে অভিজ্ঞতা লাগেনা আর
এক্সিকিউটিভ এমবিএ
করতে ০৩(তিন)বছরের ফুল টাইম জবের
অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
►রেগুলার এমবিএ আর এক্সিকিউটিভ
এমবিএর মধ্যে ভাল কোনটা?
দুটোই ভাল, রেগুলারটা ফ্রেশ
গ্রাজুয়েটদের জন্য আর এক্সিকিউটিভ
টা ম্যানেজারিয়ল লেভেল এর জন্য
ভাল।
►আমি তো চাকুরী করি দিনে সুযোগ
পাই না কিন্তু চাকুরীর অভিজ্ঞতাও ০৩
বছর হয় নি, আমি কি চাকুরীর
পাশাপাশি আইবিএ তে এমবিএ
করতে পারব?
হ্যাঁ পারবেন, আমি রেগুলার এমবিএর
পার্টটাইমে পড়তে পারবেন কারণ এর
ক্লাশ হয় রাতে(৭.০০ থেকে শুরু)।
►এমবিএর খরচ কেমন পড়বে?
রেগুলার এমবিএ: ১লক্ষ টাকার মত
এক্সিকিউটিভ এমবিএ: ২.৫০ লক্ষ
টাকার মত
►পড়তে কতবছর সময় লাগে?
এক্সিকিউটিভ এমবিএ: মোট ১২
টা কোর্স, বছরে ০৩ টা সেমিস্টার
যদি ৩ টা করে কোর্স নিতে পারেন
তাহলে এক বছরের একটু বেশি সময়
লাগবে।
রেগুলার এমবিএ: ফুল টাইম-মোট ২০
টা কোর্স
► বিবিএ পড়ার খরচ কত?
বিবিএ পড়তে খরচ
সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্যান্য
সাবজেক্ট পড়তে খরচ যেমন-অর্থ্যাৎ
বছরে মোট ৪০-৫০ হাজার
টাকা লাগতে পারে।
►আমি যদি ফুল টাইম প্রোগামে ভর্তী হই
কিন্তু কিছু দিন পরে চাকুরী পেয়ে যাই
তাহলে কি হবে?
আইবিএর এমবিএ খুবই ফ্লেক্সিবল
একসেমিস্টার পরে শিফট
করে নাইটে।
►কম্টিটিশন কেমন ভাই?
প্রতিযোগির সংখ্যা-রেগুলার এমবিএ: বছরে
৪০০০ থেকে ৪৫০০০ হাজার মাত্র
এক্সিকিউটিভ এমবিএ: ১,৫০০-২,০০০ মাত্র
**
এখানে একটা কথা বলে রাখি প্রতিযোগির
সংখ্যা দেখে নয় বরং তাদের
কোয়ালিটি দেখে বুঝতে হবে কম্পিটিশন
কেমন হবে! এখানে ৪ হাজার এর
মধ্যে প্রায় ১ হাজার এর মত
থাকে বুয়েটের আর প্রায় দেড় হাজার
থাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের+
অন্যান্য…
►রেগুলার এমবিএর ক্লাশ কবে কবে হয়?
সপ্তাহে চারদিন ক্লাশ থাকে, আর
এটা নির্ভর করবে একটা সেমিস্টার এ
আপনি কি কি সাবজেক্ট নিবেন।
►এখানে কতবার পরীক্ষা দেয়া যায়?
যতবার ইচ্ছা দিতে পারবেন।
►ভর্তী পরীক্ষা বছরে কতবার অনুষ্ঠিত
হয়?
বিবিএ: বছরে ০১(এক) বার-ডিসেম্বর
মাসে
রেগুলার এমবিএ: বছরে দুইবার
জুনে একবার আর ডিসেম্বরে আরেকবার
এক্সিকিউটিভ এমবিএ: বছরে তিন বার,
জানুয়ারি-এপ্রিল-অক্টোবর
►আসন কত?
বিবিএ: ১২০টি
রেগুলার এমবিএ: জুনে ৬০ জন আর
ডিসেম্বরে ১২০ জন
এক্সিকিউটিভ এমবিএ: প্রতিবার ৪০ জন
করে।বছরে মোট ১২০ জন
►ভর্তী পরীক্ষায় কতমার্কস এর আর
কি কি আসে?
বিবিএ: ১০০ মার্কস (ইংরেজী-৩০,
ম্যাথ-৩০, এ্যানালাইটিক্যাল-২০/২৫,
রাইটিং ১৫/২০)
রেগুলার এমবিএ: ১০০ মার্কস
(ইংরেজী-৩০, ম্যাথ-৩০,
এ্যানালাইটিক্যাল-১৫, রাইটিং ৫/১০)
এক্সিকিউটিভ এমবিএ: মোট
৭৫(ইংরেজী-৩০, এ্যানালাইটিক্যা
ল-২০/২৫, রাইটিং ১৫/২০)
►শুনেছি আইবিএর এমবিএর
প্রস্তুতি নাকি এমবিএর প্রস্তুতিও কথার
করে?
হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। যেকোন একটির
প্রস্তুতি নিলে অন্যটির
প্রস্তুতি হয়ে যায়। আর প্রশ্নপত্রও একই রকম।
►BBA/MBA এর জন্য study gap এর কোন শর্ত
আছে কি?
BBA/MBA এর জন্য Study Gap কোন বিষয় নয়।
►আইবিএ থেকে পাশ করলে চাকুরীর
নিশ্চয়তা কি?
পাশ করার আগেই হয়ত
চাকুরী হয়ে যাবে ।
►আইবিএতে মূলত করা চান্স পায় একটু
বলবেন?
আমাদের ব্যাচের ৬০ জনের
মধ্যে কমবেশি-১০/১১ জন ছিল বুয়েটের,
৯/১০ জন ছিল ডুয়েট, রুয়েট, চুয়েট, কুয়েট
ইত্যাদির, ৬/৭ জন ছিল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমার্স
ফ্যাকাল্টির, ০২/০৩ জন ছিল আর্টস
ফ্যাকাল্টির, ০৪/৫ জন ছিল জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের, ০২ জন ছিল শুধু
ডিগ্রি পাশ,
চিটাগাং ইউনিভিার্সীটির ছিল ০২
জন, জাহাঙ্গীর নগরের ০২/০৩ জন।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের (BRAC, NSU,
Eastern, Stamford, Ahasanullah, EWU ০৭/০৮ জন।
০২/০৩ জন ছিল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের।
বিদেশী ডিগ্রী ছিল ০২ জনের,
আইবিএর বিবিএ ব্যাকগ্র্যাউন্ডের ছিল
০৩/০৪ জন। ০৩/০৪ জন ছিল অন্যান্য
বিশ্ববিদ্যালয়ের।
►যারা আইবিএর বিবিএ করে তাদেরও
কি আবার
এমবিএতে ভর্তী পরীক্ষা দিতে হয়
নাকি সরাসরি ভর্তী হয়।
আইবিএতে সবাইকেই
ভর্তী পরীক্ষা দিতে হয়।
►বিগত বছরের বইগুলো কোন বই
থেকে পড়ব?
বিগত বছরের বইগুলো সাইফুর’স
বা মেন্টর’স এর বই থেকে পড়তে পারেন
তবে আমার কাছে সাইফুর’স এর
বইটা ভাল মনে হয়েছে কারণ ম্যাথের
ব্যাখ্যাগুলো ভালভাবে দিয়েছে।
►কিকি বই পড়তে হবে ?
১. জিআরই বিগ বুক (ETS প্রকাশনীর)
এ বই থেকে মূলত এ্যানালাইটিক্যাল
এ্যাবিলিটির Puzzle হুবহু কমন পড়ে, আর
ম্যাথ ও ইংরেজী অংশও সমান গুরুত্বপূরর্ণ।
২. জিম্যাট (কাপলান/ব্যারনস’স এর): এ বই
থেকে মূলত এ্যানালাইটিক্যাল
এ্যাবিলিটির Critical Reasoning, Data
Sufficiency কমন পড়ে|
৩. ব্যারন’স এর স্যাট-১ : এ বইয়ে প্রায়
৩০০০ হাজার Vocabulary
দেয়া আছে যেগুলো আইবিএ, বিসিএস,
ব্যাংক জব সবকিছুর জন্য সমান ইমপরট্যোন্ট।
৪. বিগত বছরের প্রশ্ন (বিবিএ+ এমবিএ
+এক্সিকিউটিভ এমবিএ): এ
গুলো পড়লে ট্রেন্ড বুঝতে পারবেন,
আপনার লেভেল জাজ করতে পারবেন।

Written by : Zero Gravity.

Applied Physics, Electronics & Communication Engineering

Published January 24, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

The subject Applied Physics once existed in
Bangladesh has been extended as Applied
Physics, Electronics and Communication
Engineering [DU, CU] and Applied Physics and
Electronic Engineering [RU] now a days.
Applied physics is a general term for physics
which is intended for a particular technological
or practical use. It is usually considered as a
bridge or a connection between “pure” physics
and engineering. And due to this immense
relationship with Engineering the subject has
been changed a lot with various of courses in
Electronics and Communication field of study.
Course Concept:
A 4 year B.Sc program of APECE/APEE is
divided in 3 groups/2 major groups of study i.e.
(1) Applied Physics; (2) Electronics and (3)
Communication. In the universities the course
starts with Applied Physics and later years the
students involve in studying other parts of
subjects.
Applied physics is rooted in the fundamental
truths and basic concepts of the physical
sciences but is concerned with the utilization of
these scientific principles in practical devices
and systems. Applied physicists can also be
interested in the use of physics for scientific
research.
Electronic and Communication Engineering can
be thought as a compact part and it is a
derivative of Electrical and Electronic
Engineering. ECE is a strong branch of EEE that
is getting very prominence all over the world in
recent times. From a point-of-view, electrical
engineers are usually concerned with using
electricity to transmit electric power, while
electronic engineers are concerned with using
electricity to process information. And
communication engineers do the process of
transferring information across a channel from
one entity to another in the best possible ways.
Telecommunication is a branch or specific sector
of communication.
While in general power plant, energy conversion,
power system, high voltage engineering are
thought as the core part of EEE; signal
processing, control system, modulation of
information, fiber optic communication etc are
core part of ECE.
Research Areas:
Electronics, Computer networks,
Telecommunication, Wireless Communication,
Cellular and Satellite Communication,
Semiconductor Technology and Devices,
Renewable Energy Technology, Intelligent System
Engineering, Digital signal processing,
Instrumentation, Robotics, Biomedical
Technology,Nano Technology, Semiconductor
technology, Quantum Mechanics, Quantum
Optics, Quantum Thermodynamics, Opto-
electronics and many more. etc.
Higher field of studies from APECE:
M.S/ PhD in EEE, CSE. Microwave/ satellite
oriented communication, Nuclear Engineering,
Robotics, Biomedical Physics, Theoretical
Physics, Physics, Astrophysics, Renewable
Energy Technology, Microelectronics, Nano
electronics, Control System Engineering etc.
Career opportunities:
# Telecommunication and Mobile companies
# Bangladesh Radio (radio Engineer)
# BCS Telecom Cadre
# Scientific Officer at BAEC
# Scientific Officer, BCSIR
# BCS Economic Cadre( Assistant Chief)
# Petro Bangla ( Assistant Manager, Electronics)
# Software Companies and Networking
# Bio Medical Instrumentation Engineer
# General Cadre Service, PSC (BCS)
# In abroad- Communication Engineer in Telecom
and Satellite sector and Wireless Communication,
Microwave Engineer
What a student need for studying in APECE is a
HIGH PASSION. Without there’s not a single
chance of doing well and showing excellence.
Studying 3 subjects in 4 years is tough but not
impossible. APECE will give you many things if
you are ready to take for your future.
Study and contribute in the digitalization
Bangladesh improving it’s Telecom sector. 3G is
just the beginning, 3.5G, 4G and many things to
be introduced by you in Bangladesh that will help
Bangladesh globalizing. And We can expect that
in near future Bangladesh will also contribute in
Satellite sector;a new era will start for us. And
we believe it will come because you are talented
and you will use full of your ability while studying
in APECE/APEE/ECE/ETE.

Written By:
Walid- Bin- Habib
Dept. of APECE
Faculty of Engineering and Technology
University of Dhaka.

%d bloggers like this: