Archives

All posts for the month February, 2016

Preparation For IIT Of JU

Published February 21, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

#Preparation_for_IIT_JU
.
IIT মুলত JU এর H ইউনিট এর অন্তর্ভুক্ত। এই ইউনিটে এই একটি সাব্জেক্ট ই রয়েছে।
.
সিট সংখা: ছেলে 27 + মেয়ে 23 = 50 টি ( কোটা ছাড়া)
.
আবেদন এর যোগ্যতা : SSC & HSC উভয় পরিক্ষায় আলাদাভাবে 3.5 সহ মোট জিপিএ 8.00 থাকতে হবে। তাছাড়া গনিতে কমপক্ষে A & পদার্থ বিজ্ঞানে A- থাকতে হবে।
.
মান বন্টন : গনিত -40, পদার্থ -20, ইংরেজি-15, বাংলা -5 । মোট 80 ।

.
পাশ নম্বর : 35 । আলাদাভাবে পাশ করতে হবে না। প্রতিটা ভুল উত্তরের জন্য 0.20 করে কাটা যাবে।
.
সময়: 55 মিনিট।
.
আনুমানিক পরিক্ষারর্থীর সংখা : 12000+
.
* এবার বিষয় ভিত্তিক আলোচনা করা যাক—
.
#গনিত : মোট মার্কের 50% রয়েছে এই বিষয়ে। তো বুঝতেই পারতেছ পরিক্ষায় ভাল কিরার জন্য এই বিষয় এ অবশ্যই ভাল করতে হবে। গনিতে 40 টা প্রশ্ন থাকবে। বইয়ে যতগুলো টপিক আছে প্রতিটা টপিক থেকে কম করে হলেও 1 টি প্রশ্ন থাকবেই। তাই প্রতিটা টপিক এর উপর ক্লিয়ার কনসেপ্ট থাকা খুব দরকার। তারপরেও যে টপিক গুলো থেকে বেশি প্রশ্ন হয় সেগুলো হলো- calculus, functions, coordinates, straight line, vector, probability, permutation & combination. এই কয়টা টপিক থেকেই 20 টার উপরে অংক থাকবে। তাই সব টপিকস এর সাথে এই টপিকস গুলার প্রতি গুরুত্ব বেশি দিতে হবে।
.
#পদার্থ : এখানে আছে 20 মার্ক। যেখানে 16-17 টা ম্যাথ & 3-4 টা থিওরি এসে থাকে। এই বিষয় এ ভাল করতে হলে অবশ্যই বই এর সকল সুত্র মুখস্ত থাকতে হবে। আর এই অসংখ্য সুত্রগুলো তখনোই মুখস্ত থাকবে যখন এইগুলা বুঝে পড়বা। এখানে প্রতিটা অধ্যায় থেকে মোটামুটি গড়ে 1-2 টা করে প্রশ্ন এসে থাকে। তাই কোন অধ্যায় ই কম গুরুত্ব পুর্ন নয়।
.
#ইংরেজি: এখানে আছে 15 মার্কস : যাদের ইংরেজিতে মোটামুটি ব্যাসিক ভাল তাদের জন্য এটা কম সময়ে বেশি মার্কস তোলার একটা জায়গা। এখানে যে টপিকস গুলার উপর বেশি প্রশ্ন হয় সেগুলো হলো- preposition, right form of verb, spelling, synonym, antonym, correction, parts of speech. এই টপিকস গুলা থেকেই 12-13 টা প্রশ্ন এসে থাকে।
.
#বাংলা : এখানে আছে 5 মার্কস। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো আমরা কেউই এই 5 মার্কস এর প্রিপারেশন নেই না ( সত্যি বলতে আমিও নিবছিলাম না 😛 ) । খেয়াল করে দেখ তোমারা 9-10 এ থাকতে এমন কিছু ব্যাকরণ পড়েছো যেগুলোর কিছু এখনো মনে আছে। যেমন, সমাস, শুদ্ধ বানান, সন্ধি , সমার্থক শব্দ এই গুলার কিছু কমন উদাহরণ পড়ছো। সেইগুলাই এখানে এসে থাকে। আর ব্যতিক্রম কিছু উদাহরণ আছে দেখবা ওইগুলা থেকে এসে থাকে। কেউ যদি এই কমন জিনিস গুলো পরিক্ষার আগে একবার দেখে যায় 3-4 মার্কস তোলা খুবই সহজ।
.
* এবার আলোচনা করি কিছু টেকনিক নিয়ে-
.
1) এই ইউনিটে ভাল করতে হলে সবার প্রথম যা জিনিশ টা থাকা দরকার সেটা হলো গানিতিক হিসাব করার দক্ষতা থাকা। মানে যে যত তাড়াতাড়ি গানিতিক হিসাব নির্ভুল হিসাব করতে পারবে সে তত এগিয়ে থাকবে। কেননা অনেকগুলা ম্যাথ থাকবে।
2) প্রশ্ন দেখার সাথে সাথেই বোকার মত ম্যাথ কষা শুরু না করা। প্রশ্ন দেখার পর অপশন গুলোও দেখে নাও। এমন কিছু ম্যাথ থাকে যেগুলো তুমি প্রশ্ন দেখার পর না পারলেও অপশন দেখার পর ঠিকি উত্তর বলে দিতে পারবা। মানে অপশন টেস্ট। তাহলে সময় নষ্ট করার দরকার কি।
3) এমন কিছু ( 2-3 টা) ম্যাথ থাকবে যেগুলো দেখা মাত্রই ছেড়ে দেয়া উচিত। কেননা সেগুলো করতে তোমার প্রতিটাতে 3-4 মিনিট সময় লেগে যাবে।
4) প্রশ্নে শর্বোচ্চ একটা বা দুইটা প্রশ্নোত্তর blank থাকতে পারে। তাই কোন অংকের উত্তর যদি তুমি শিওর হয়ে বের করতে পারো আর যদি দেখ উত্তর অপশন এ নাই বুঝবা সেটা blank. আর এমনো হতে পারে তোমার প্রথম প্রশ্ন টাই blank উত্তর হবে ( যেটা আমার বেলায় হয়েছিল আর গাধার মত আমি প্রথম প্রশ্নেই 4 মিনিট নষ্ট করেছিলাম তারপরেও দাগাতে পারিনি, বের হয়ে শুনি সেটা blank ছিল) তাই নিজের উপর কনফিডেন্স থাকতে হবে।
5) তাড়াহুড়া না করা। চান্স পাওয়ার জন্য তোমাকে সবগুলার সঠিক উত্তর দিতে হবে না। তাই আবল তাবল ও দাগাবা না।
.
* এবার কিছু প্রশ্নের উত্তর দেই-
.
প্রশ্ন 1 : ভাইয়া IIT এর জন্য কোন স্পেশাল বই পড়বো?
উত্তর : দেখ ভাইয়া তুমি IIT এর জন্যই পড়ো আর BUET এর জন্যই পড়ো তোমার মেইন হাতিয়ার হওয়া উচিত মেইন বুক। তারপর প্রাকটিস এর জন্য ভর্তি সহায়িকা বই গুলা দেখবা। আর হ্যা কেমন প্রশ্ন হয় এটা দেখার জন্য বাজারে JU এর H ইউনিট এর প্রশ্ন ব্যাংক পাওয়া যায় ঐটা দেখতে পারো। তাছাড়া স্পেশাল কোন বইয়ের প্রয়োজন নেই আমার মতে। বইয়ের প্রতিটা টপিকস বুঝে পড়লেই এনাফ।
.
প্রশ্ন 2: ভাইয়া কত পেলে চান্স পাবো?
উত্তর : এটার সঠিক উত্তর কারো পক্ষে দেয়া সম্ভব না। কারণ এটা পুরোটাই প্রশ্নের উপর নির্ভর করে। তারপরেও একটা আইডিয়া দিচ্ছি, ছেলেদের চান্স পাওয়ার জন্য 100 এর মধ্যে 80+ & মেয়েদের 75+ পেলে তোমার চান্স আশা করা যায়।
.
.
লিখছেন:

Md. Rezaul Karim, Institute of Information Technology (IIT), Jahangirnagar University . Emai : rezaul.it.ju@gm ail.com Facebook: www.facebook.com/itian.rezaul

Md. Rezaul Karim, Institute of Information Technology (IIT),
Jahangirnagar University .
Emai : rezaul.it.ju@gm
ail.com
Facebook: http://www.facebook.com/itian.rezaul

Advertisements

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-৯

Published February 11, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৯
.
প্রায় স্কলারশিপ সংক্রান্ত প্রতিটি পোস্ট এই স্কলারশিপ নিয়ে কিছু না কিছু তথ্য দিয়ে আসছি।তাই যারা মনে করছো স্কলারশিপ নিয়ে বাইরে পড়তে যাবা তারা পেজের স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট গুলো শেষ পর্যন্ত নিয়মিত দেখে যাও আশা করি মনে আর কোন প্রশ্ন থাকবে নাহ 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
বাংলাদেশের ছাত্র ছাত্রীরা বেশির ভাগই জানে না, সেজন্য অনেকেই আবেদন করতে পারে নাহ এই স্কলারশিপ টায়। এছাড়াও, ভারতীয় সেমিস্টার সিস্টেমে বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের ক্লাস শুরু হয় আমাদের দেশের চেয়ে কিছুটা পরে। ততদিনে বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী কোথাও না কোথাও ভর্তি হয়ে যায়, অথবা দ্বিতীয়বারের মতো পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
বিরাট সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী হতাশায় ভোগে। ফলে কিছুদিন আগে পর্যন্তও এই স্কলারশিপ গুলোর সংখ্যার সমান সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীই আবেদন করতো না। ফলে যারা আবেদন করতো, তারাই কোন রকম প্রতিযোগিতা ছাড়াই ভারতে পড়তে চলে যেতো স্কলারশিপ নিয়ে 🙂 ।
.
এখন কিছুটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়েছে এই স্কলারশিপটি, তবুও আবেদকের সংখ্যা খুবই নগণ্য। সুতরাং, আবেদনটা করে দিলেই খুব বড় ধরনের সুযোগ থাকে চান্স পেয়ে যাওয়ার 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
জেনে অবাক হবে তোমরা, টিউশন ফি এবং মাসিক হাতখরচ সহ স্কলারশিপটির অর্থমূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮ লক্ষ টাকা।আর এর পুরোটাই পাচ্ছ তুমি বিনামূল্যে যদি এই স্কলারশিপ টা পাও তাহলে।এখন প্রশ্ন হচ্ছে, স্কলারশিপটা কীভাবে পাওয়া যায়, কী কী লাগে এবং আবেদন কীভাবে করতে হয় এইসব জানতে পেজের পোস্ট গুলোই চোখ রাখো নিয়মিত 🙂 ।
.
#নাঈম ( Naeem Islam ) 🙂
Taylor’s University, Malaysia

স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৮

Published February 5, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৮
.
যাদের শুধু পাসপোর্ট আছে কিন্তু কোন IELTS এর কোর্স করা নাই তাদের জন্য ইন্ডিয়ান সরকার বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ করে দেয় অর্থাৎ শিক্ষাবৃত্তি বা স্কলারশিপ দেয় বছরে একবার 🙂 ।মানে তুমি যদি এই স্কলারশিপ এ চান্স পাও তাহলে তুমি ইন্ডিয়ার ভাল ভাল পাবলিক ভার্সিটি তে পড়তে পারবা সম্পুর্ন ফ্রি তে।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
স্কলারশিপ দেয়া হয় আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, গবেষণা অর্থাৎ Ph.D এবং বিভিন্ন পারফর্মিং আর্ট যেমনঃ নাচ, গান ইত্যাদির জন্য 🙂 ।তবে তোমাদের জেনে রাখা ভাল এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্সের জন্য স্কলারশিপ দেয়া হয়না ইন্ডিয়ায় বাকি সব কিছুর জন্য স্কলারশিপ দেওয়া হয় 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা সীমিত হওয়ার জন্য, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচুর খরচের জন্য এবং পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়টি পড়তে না পারার জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পাস বহু শিক্ষার্থী এক বছর নষ্ট করে,তাও অনেকের ঠাঁই হয়না কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাদের জন্য এই স্কলারশিপটি হতে পারে চমৎকার একটা সুযোগ। এই স্কলারশিপে কিভাবে তুমি আবেদন করবে কিভাবে চান্স পাবে কি কি সুবিধা পাবে, হাত খরচের জন্য প্রতি মাসে কত টাকা পাবে,কতোজন শিক্ষার্থী নিবে এইসব কিছু জানতে সামনের পর্ব গুলো নিয়মিত দেখে যাও।
.
কালকে সকাল ১০ টায় পরবর্তী পর্ব নিয়ে আলোচনা করবো ইনসাআল্লাহ 🙂 ।
.
.

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia. fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia.
fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৬

Published February 5, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৬
.
তোমরা নিশ্চয় জানো যে বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে IELTS অত্যান্ত গুরুত্তপূর্ণ 🙂 ।তাই আমি আজ তোমাদের IELTS সম্পর্কে ৪ পর্বের পোস্ট এর মধ্যে আজকে ৩য় পর্বো বিস্তারিত আলোচনা করব আশা করি তোমাদের কাজে লাগবে 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
☞IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতি—-
.
আইইএলটিএস পরীক্ষা নিয়ে উত্কণ্ঠার কিছু নেই। নিয়মিত প্রস্তুতি নিয়ে যথেষ্ট ভালো স্কোর করা সম্ভব। শুরুতেই তোমার লক্ষ্য ঠিক করে নাও। তবে ইংরেজিতে তোমার এত দিনকার যা দক্ষতা, সে অনুযায়ীই লক্ষ্য ঠিক করবে। রাতারাতি ভালো স্কোর করা সম্ভব নয়। আবার ইংরেজিতে তুমি যথেষ্ট দক্ষ হলেও কোনো প্রস্তুতি ছাড়া পরীক্ষা দিয়ে আশানুরূপ স্কোর করা সম্ভব নয়।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
রোজকার কাজের মধ্যেই অন্তত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখ এ জন্য। কত দিন ধরে প্রস্তুতি নেবে, এটা তোমা দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। অন্তত তিন মাস সময় হাতে রাখা ভালো। প্রশ্নপত্র সমাধান করাটা প্রস্তুতির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঘড়ি ধরে প্রশ্নপত্র সমাধান কর। সম্ভব হলে পরীক্ষার পরিবেশে একসঙ্গে সব অংশের পরীক্ষা দাও ।
.
কেমব্রিজ থেকে প্রকাশিত আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নীলক্ষেতে কিনতে পাওয়া যায়। এগুলো সমাধান কর।বাজারে অসংখ্য বই পাবে। তবে সবই নির্ভরযোগ্য এ কথা বলা যায় না। এ পরীক্ষার জন্য কোচিং করবেন কি না এটা সম্পূর্ণ তোমার সিদ্ধান্ত। তবে যা-ই কর বাড়িতে নিজে পড়াশোনা করতে হবে 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
আইইএলটিএস নিবন্ধনের সময় প্রস্তুতির জন্য দুটি ছোট বই দেওয়া হয়। এগুলো ভালোমতো পড় ও সমাধান কর। ব্যাকরণের অনেক খুঁটিনাটি জানতে পারবে। আবার এমন অনেক বিষয়, যা স্কুল-কলেজে পড়েছ কিন্তু এখন মনে নেই, তা ঝালিয়ে নিতে পারবে। এ পরীক্ষা নিয়ে অনেকের কাছ থেকে অনেক রকম কথা শুনতে পাবে :-/
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
এতে দ্বিধা বা উত্কণ্ঠায় ভুগবে না। আইইএলটিএস সম্পর্কে যেকোনো তথ্য পেতে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং আইডিপি, বাংলাদেশ। ব্রিটিশ কাউন্সিলের লাইব্রেরিতে প্রস্তুতির জন্য প্রচুর ভালো বই পাবে। তবে এগুলো ব্যবহারের জন্য লাইব্রেরির সদস্য হতে হবে। নীলক্ষেত থেকে যেনতেন বই কিনে অর্থ ও সময় নষ্ট না করাই ভালো। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, আইডিপি অস্ট্রেলিয়া এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের সরাসরি তত্ত্বাবধানেই আইইএলটিএস হয়। তাদের কাছ থেকেই যখন সরাসরি তথ্য পাচ্ছ, তখন অন্য কোথাও যাওয়াটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয় 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
☞IELTS এর বই পরিচিতি 🙂 —
.
Listening: লিসেনিং-এর জন্য Cambridge-এর সিরিজ আছে। খুব ভালো। তবে প্রথম দুটো (মানে 1 এবং 2 খুব সাধারণ মানের)। ভালো কিছু শেখা যাবে 3, 4, 5, 6 -এই বইগুলো থেকে। এই বইগুলো CD-সহ কিনতে হবে। অথবা কারো থেকে পেনড্রাইভে সফ্‌ট কপিও সংগ্রহ করে নিতে পারো 🙂 ।
.
Reading: অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মতে রিডিং-এর জন্য Saifur’s-এর বইটা সহজ এবং বোধগম্য 🙂 ।
.
Writing: রাইটিং-এর জন্য ভালো বই হচ্ছে Moniruzzaman’s IELTS Writing বইটি।
.
Speaking: স্পীকিং-এর জন্য Khan’s Cue-Card 1 এবং 2 বেশ কার্যকরী 🙂 ।
.
☞IELTS এর স্কোর —-
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
এক থেকে নয়-এর স্কেলে আইইএলটিএসের স্কোর দেওয়া হয়। চারটি অংশে আলাদা ভাবে ব্যান্ড স্কোর দেওয়া হয়। এগুলোর গড় করে সম্পূর্ণ একটি স্কোরও দেওয়া হয়। এ পরীক্ষায় কৃতকার্য বা অকৃতকার্য হওয়ার কোনো বিষয় নেই।তোমার প্রয়োজনীয় স্কোর করতে পারলেই পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য সফল হবে। ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইলে সাধারণত সাড়ে ৫ থেকে সাড়ে সাত পেতে হয়। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যান্ড স্কোরও আলাদাভাবে ভালো করতে হয়।
.
সম্পূর্ণ স্কোর যত ভালোই হোক না কেন, একটি বিভাগে স্কোর কমে গেলে ভর্তির সুযোগ না-ও পেতে পার। পরীক্ষা দেওয়ার আগেই জেনে নাও ন্যূনতম কত স্কোর প্রয়োজন। আইইএলটিএস স্কোরের মেয়াদ থাকবে দুই (২) বছর।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
☞ আইইএলটিএস স্কোর স্কেল —
.
আইইএলটিএস স্কোরসমূহের শুরু ১ থেকে ৯ পর্যন্ত। স্কোরগুলোর স্বীকৃতিস্বরুপ হচ্ছে –

✔ ব্যান্ড ৯ দক্ষ ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৮ খুব ভালো ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৭ ভালো ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৬ পর্যাপ্ত ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৫ পরিমিত ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৪ সীমিত ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৩ অতিরিক্তমাত্রায় সীমিত ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ২ ব্যবহারকারী নয়
✔ ব্যান্ড ১ যারা অপ্রাসঙ্গিক উত্তর দিয়েছে বা যারা communicate ব্যর্থ হয়েছে
ব্যান্ড ০ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেনি / উত্তর দেয়নি :3 ।
.
কালকে সকাল ১০ টায় IELTS নিয়ে শেষ পর্বে এই পরীক্ষার অনেক তথ্য বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনসাআল্লাহ।
.
.

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia. fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia.
fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৩

Published February 4, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

#ইঞ্জিনিয়ারিং_সংক্রান্ত_পোষ্ট ৩: সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অথচ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার স্বপ্ন নেই এমন স্টুডেন্ট পাওয়া দূর্লভ। এই পোষ্টে থাকছে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের আসন সংখ্যা, আবেদনের যোগ্যতা, মানবন্টন। আজকের আলোচনা পাবিপ্রবি নিয়ে

পাবিপ্রবি : ২০০১ সালে র সরকারের এক্ট অনুযায়ী পাবনায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই একাডেমীক কার্যক্রম শুরু হয় পাবিপ্রবির । ইতোমধ্যেই একাডেমীক গতিশীলতা আর কোর্স কারিকুলামের জন্য সুনাম অর্জন করেছে পাবিপ্রবি। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্টিফিকেট(URP, ARC ব্যতীত) দেওয়া হয়।

ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট গুলো এবং আসন সংখ্যা নিন্মে দেওয়া হলো:

ইউনিট – A1

১।কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং(CSE)- ৫০ টি আসন

২।ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং(EEE)- ৫০ টি আসন

৩।ইলেকট্রিক এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং(ETE)- ৪০ টি আসন

৪।ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং(ECE)- ৪০ টি আসন

৫।সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং(CIVIL) – ৪০ টি আসন

৬।নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা(URP) – ৩০ টি আসন

ইউনিট – A2

১।স্থাপত্য(ARC) – ৩০ টি আসন + A1 ইউনিটের সকল বিভাগ

আবেদনের যোগ্যতা: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পৃথক ভাবে নূন্যতম জিপিএ ৪.০০(৪র্থ বিষয় সহ) এবং মোট নূন্যতম জিপিএ ৮.৫০(৪র্থ বিষয়সহ) থাকতে হবে। এছাড়া উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে নূন্যতম জিপিএ ৪.০০ পেতে হবে।

পরীক্ষার মানবন্টন(A1):

ইংরেজী-১৫, পদার্থবিজ্ঞান-২৫, রসায়ন-২৫, গণিত-২৫

মোট – ৯০

সময়: ১ ঘন্টা

পরীক্ষার মানবন্টন(A2):

ইংরেজী-১৫, পদার্থবিজ্ঞান-২৫, রসায়ন-২৫, গণিত-২৫, ড্রয়িং – ৩০

মোট – ১২০

সময় : ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট

মেধাক্রম গণনা : মোট ১০০ নাম্বারে মেধাক্রম গণনা করা হবে। ৯০ নাম্বারের MCQ পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের জিপিএ হতে ১০ নাম্বার যোগ করা হবে।

A2 ইউনিটের ক্ষেত্রে ৯০ নম্বর MCQ পরীক্ষা ইউনিটের সাথে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। বাকী ৩০ মিনিট ড্রয়িং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে

জিপিএ গণনা :

(মাধ্যমিকের জিপিএ * ০.৮) + (উচ্চমাধ্যমিকের জিপিএ * ১.২)

*MCQ পরীক্ষায় পাশ মার্ক ৩৬

*সেকেন্ড টাইমার রা এক্সাম দিতে পারবে

*ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না
.
.
লিখেছেন:

Koushik Kumar Biswas, Department Of Electrical & Electronics Engineering (EEE), Shahjalal University Of Science & Technology (SUST). Facebook: http://www.facebook.com/koushikkumar.biswas

Koushik Kumar Biswas, Department Of Electrical & Electronics Engineering (EEE), Shahjalal University Of Science & Technology (SUST).
Facebook: http://www.facebook.com/koushikkumar.biswas

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সিট প্রতি যতজন লড়াই করেছে

Published February 3, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রতি আসনের বিপরীতে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন লড়াই করেছে :
**************** **************
১) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় – ১১৩ জন
২) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় – ৬৭ জন
৩) মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় -৬০ জন
৪) নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ৫৫ জন
৫) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৮ জন
৬) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (BUTex ) – ৪৭ জন

৭) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৬ জন
৮) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৬ জন
৯) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৬ জন
১০) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৪ জন
১১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় – ৩৮ জন
১২) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় – ৩৮ জন
১৩) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় – ৩৬ জন
১৪) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় – ৩৪ জন
১৫) হাজি মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ৩০ জন
১৬) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (SUST ) – ২৯ জন
১৭) জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় – ২৮ জন
১৮) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ২২ জন
১৯) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় – ২২ জন
২০) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ২১ জন
২১) পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ১৭ জন
২২) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ১৫ জন

*******
¤ মেডিকেল – ২৩ জন
¤ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় – ১.৭ জন
.
#সামিউল

এইচএসসি পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষা পর্ব-০১

Published February 3, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

এইচএসসি পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষা
.
পর্ব-০১
.
সামনেই এইচএসসি পরীক্ষা, পুরোদমে চলছে পড়াশুনা। সাথে বিভিন্ন মডেল টেস্ট, হাবিজাবি। এই সময় থেকেই অনেকেই ভার্সিটি ভর্তি প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে। তাদের নিয়েই লিখবো ধারাবাহিক ৩ টি পোস্ট।
.
যতই বলি ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএ তেমন কোনো বড় ব্যাপার না, তবুও ভাল জিপিএ ছাড়া তুমি অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সুযোগই পাবে না। সো আগে এইচএসসিতে কিভাবে ভাল করা যায় সেটা দেখা উচিত। যদি তুমি মনে করো এইচএসসিতে তোমার কোনো ঝামেলা হবে না সেক্ষেত্রে প্রিপারেশন নিতে পারো ভার্সিটির জন্য।
.
কিভাবে?
→ প্রথমে যে কাজটা করবা সেটি হচ্ছে বাজারে বিভিন্ন প্রশ্ন ব্যাংক পাওয়া যায়। তোমার কাজ হচ্ছে খুজে বের করা কোনটি ভাল। দুইটা/তিনটা বই কম্পেয়ার করলেই বুঝতে পারবে সেটি তবে আমি সাজেস্ট করবো জয়কলি(ব্যাখ্যা ও সমাধানসহ) পড়ার জন্য। প্রতিদিন একটি করে মডেল প্রশ্ন সলভ করো।
.
তুমি অনেক কিছুই বুঝবে না, মার্কিং করে রাখো সেটি। এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছুই নেই। এমন অনেক কিছুই আবার চোখের পলকে বুঝে যাবে যখন নিজে থেকে কয়েকটা শর্টকাট বা নিজের মত করে পড়ে নিতে পারো। সেটা আবার অনেকেই পারবে না। টেনশনের কোনো কারণ নেই, এখন মন দাও প্রধানত এইচএসসিতে।
.
শুভ কামনা রইলো..…..……
.
.

ইমরান শুভ, রসায়ন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ই-মেইলঃ imranshovo@gmail.com ফেবু আইডিঃ www.facebook.com/imran.chemisty

ইমরান শুভ, রসায়ন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
ই-মেইলঃ imranshovo@gmail.com
ফেবু আইডিঃ http://www.facebook.com/imran.chemisty