Editorial Post

All posts in the Editorial Post category

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সিট প্রতি যতজন লড়াই করেছে

Published February 3, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রতি আসনের বিপরীতে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন লড়াই করেছে :
**************** **************
১) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় – ১১৩ জন
২) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় – ৬৭ জন
৩) মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় -৬০ জন
৪) নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ৫৫ জন
৫) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৮ জন
৬) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (BUTex ) – ৪৭ জন

৭) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৬ জন
৮) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৬ জন
৯) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৬ জন
১০) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় – ৪৪ জন
১১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় – ৩৮ জন
১২) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় – ৩৮ জন
১৩) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় – ৩৬ জন
১৪) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় – ৩৪ জন
১৫) হাজি মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ৩০ জন
১৬) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (SUST ) – ২৯ জন
১৭) জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় – ২৮ জন
১৮) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ২২ জন
১৯) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় – ২২ জন
২০) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ২১ জন
২১) পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ১৭ জন
২২) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ১৫ জন

*******
¤ মেডিকেল – ২৩ জন
¤ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় – ১.৭ জন
.
#সামিউল

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা

Published February 3, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন আবেদন করেছিল :
.
১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : ২,৫৪,৪০৪
২) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় : ২,২৬,৫৭২
৩) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় : ২,১১,৯৫২
৪) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় : ১,৮৫,০৭৯
৫) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : ১,৬০,৬৮২
৬) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় : ৬৪,৭৮০
৭) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৫৮,৮০৯
৮) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় : ৫৪,৩৯২
৯) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৪৬,৮৩৭
১০) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় : ৪৪,৪৪৭
১১) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( SUST ) : ৪১,২৮৫
১২) নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (NSTU ) : ৩২,৬১৩
১৩) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৩০,৯৪০
১৪) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৩০,১৯০
১৫) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় : ২৭,৫৬৩
১৬) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ২৬,৬০০
১৭) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ২৪,০৪৭
১৮) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় : ২২,৯২০
১৯) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ( BUTex ) : ২২,২০৩
২০) পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ১৪,৪১৯
.
¤ মেডিকেল : ৮৪,৭৮৪
¤ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় : ৫,৪২,৩৪৯
.
#সামিউল

কনফিডেন্স টু হতাশা

Published January 27, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

কনফিডেন্স টু হতাশা:

ভর্তি পরীক্ষার শুরুতে একজন ছাত্রের মধ্যে প্রচুর কনফিডেন্স সঞ্চারিত থাকে। কনফিডেন্সের পরিমাণ এতই তীব্র যে, সে প্রায় ভূলেই যেতে থাকে অসম্ভব বলে কিছু নাই! কিন্তু, প্রতিযোগিতার শেষে যখন কারও চান্স হয় না, তখন তার উপর ভর করে তীব্র পরিমাণে হতাশা। এ যেন কনফিডেন্সের রূপান্তর! কনফিডেন্স টু হতাশা!
.
প্রতিযোগিতা মানে কেউ টিকবে, কেউ বাদ যাবে। তুমি নিজেও জানো যেকোন ধরনের প্রতিযোগিতায় একজন ফার্স্ট, একজন সেকেন্ড এবং একজন থার্ড স্থান অধিকার করে। তবে, ভর্তি পরীক্ষার যুদ্ধ নামে যে প্রতিযোগিতা চলছে, তাতে জয়ী অনেকেই হয়; তবে মোটের তুলনায় নগন্য। কেননা, বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট সিটের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ গুণ। যাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স হয় না, তারা কি ভালো পজিশন হোল্ড করে না?
.
এখন যদি আমি কয়েকজনের উদাহরণ দিতে থাকি, তোমরা কেউ কেউ বলতে পারো, “ভাইয়া, দুই একজন তো ব্যতিক্রম থাকতেই পারে, তার মানে এটা নয় যে আমরা সবাই ভালো পজিশন হোল্ড করব?’
.
ভাই তোমাদের বলছি, মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করলে, অসম্ভব আর অসম্ভব থাকে না, এটা সম্ভবে রূপান্তর হয়ে যায়। যেটা তোমার জন্যে অসম্ভব, সেটাকে সম্ভবে রুপান্তর করার চেষ্টা করো। আসলে, পৃথিবীতে মানুষ করতে পারে না, এরকম কোন ভালো কাজ নেই।
.
শুরুতে “কনফিডেন্স টু হতাশা”র রূপান্তর নিয়ে বলছিলাম। হ্যা, কনফিডেন্স কে কখনও হতাশায় রুপান্তর হতে দিও না।
.
আমি সবসময় একটা কথাই বিশ্বাস করি, চেস্টা করলে মানুষ বিফল হয় না। কারণ- পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাওয়ালা বলেছেন, “আর তিনি (আল্লাহ) কারও সাথে অবিচার করেন না”।
.
তাই, ভেঙ্গে পরো না। নিজের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রেখে সফল হওয়ার দুর্গম পথে এগিয়ে যেতে থাকো, একদিন সুফল পাবে।
.
শুভ কামনা তোমাদের জন্যে।
.
.
লিখেছেন:

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University. Mobile: 01737-101388 Email: nazmulhaque.120413@gmail.com Facebook: www.facebook.com/nazmul120413

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University.
Mobile: 01737-101388
Email: nazmulhaque.120413@gmail.com
Facebook: http://www.facebook.com/nazmul120413

পড়া মনে রাখার টিপস্

Published January 23, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

পড়া মনে রাখার টিপস:

অনেক সহজে সবকিছু মনে রাখার ইচ্ছে আমাদের সবারই আছে । কিন্তু জানিনা কিভাবে তা সম্ভব। আসো, জেনে নিই ।

আমাদের মস্তিস্ক এক বিচিত্র তথা জটিল কারখানা এবং এর কাজ করার ক্ষমতা অপরিসীম । একে কাজে লাগাতে হলে তোমাকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে । খুব সহজ; তবে নিয়মিত চর্চার প্রয়োজন রয়েছে ।

আমরা আমাদের মস্তিস্কের অতি সামান্য অংশই মাত্র ব্যবহার করে থাকি । শতকরা হিসেবে মাত্র ৫% থেকে ৭% । বিশ্বের বড় বড় বিজ্ঞানী তথা মেধাবী ব্যক্তিগণ সর্বোচ্চ ১৫% থেকে ১৮% মস্তিস্ককে কাজে লাগাতে পেরেছেন । বাকি বিশাল অংশ অলস বসে থাকে । এই বিশাল অলস মস্তিস্ককে কাজে লাগাতে পারলে মানুষ কি অসাধ্যই না সাধন করতে পারবে; একবার ভেবে দেখো ।

যাক, এবার আসল কথায় আসি ।

মনে রাখার টিপস্—-

১) নিজের উপর বিশ্বাস রাখো । সহজ কথায়,
“আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে” ।

২) এখনই কাজ শুরু করো, এখনই ।

৩) ঘুমের সময় নির্ধারণ করতে হবে এবং তা করতে হবে তোমার “বায়োলজিক্যাল ক্লক”
অনুযায়ী । নিয়মিত ও যথেস্ট ।

৪) সকাল হচ্ছে উত্তম সময় পড়ালেখা মনে রাখার । আরও অধিক উত্তম সময় হচ্ছে, সূর্যোদয়ের এক ঘন্টা পূর্বে ।

৫) প্রথমে শব্দ করে পড়তে হবে । এরপর ইচ্ছে
হলে শব্দহীন ভাবে পড়তে পারো ।

৬) প্রথমে সম্পূর্ণ বিষয়টি একবার/দু’বার
মনযোগ সহকারে পড়ে তারপর দু’তিন লাইন
করে মুখস্ত করো ।

৭) একটানা অনেকক্ষণ পড়তে হলে মাঝখানে
বিরতি দেয়া উত্তম । এক কিংবা দু’ঘন্টা পর
পর অন্ততঃ পাঁচ মিনিট বিরতি দিতে হবে । এ
সময় একটা গান শুনতে পারো কিংবা সটান
শুয়ে পড়তে পারো ।

আর যদি তুমি ধর্মে বিশ্বাসী হও তাহলে তোমার ধর্ম নিয়ে ভাবো এবং মুসলমান হলে আল্লাহর “জিকির” করো ।

৮) পছন্দের তালিকায় মিস্টি জাতীয় খাবার
রাখো । চিনির শরবত, সাথে লেবু । কিংবা শুধু
লেবুর শরবত । গ্লুকোজ পানিও পান করতে
পরো । সাবধান ! ডায়াবেটিক থাকলে
অবশ্যই এসব পরিহার করো । “স্যালাইন” কখনোই খাবে না । খাবার তালিকায় সবুজ
শাকসব্জি, ফলফলাদি রাখা ভালো । স্বাভাবিক
পুস্টিকর খাবার খেতে চেস্টা করো । ধূমপান
পরিহার করো ।

৯) অল্প হলেও প্রতিদিন কিছু না কিছু পড়ো।

১০) কম হলেও প্রতিদিন অন্ততঃ ৩০ মিনিট
হালকা শরীরচর্চা করো ।

১১) প্রতিদিন অন্ততঃ ৫/৭ মিনিট মন খুলে
হাসো ।

১২) অযথা কথা পরিহার করো ।

১৩) অতিরিক্ত রাত করে ঘুমোতে যাবে না ।

১৪) পড়াতে মন না বসলেও প্রথম প্রথম অনিচ্ছা সত্ত্বেও পড়তে বসো ।

১৫) নিয়মিত স্ব স্ব ধর্ম অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তার ইবাদত করো।

একমাস চেস্টা করে দেখো । কাজে না আসলে
ঐ একমাসের পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করে
দেখো কোথাও কোন প্রকার ফাঁকি আছে কিনা ? নিজকে ফাঁকি দেবে না।

ইন-শাহ-আল্লাহ, পড়াশুনা ভালো হবে। তোমার জন্যে শুভ কামনা।

লিখেছেন:

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University. Mobile: 01737-101388 Email: nazmulhaque.120413@gmail.com Facebook: www.facebook.com/nazmul120413

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University.
Mobile: 01737-101388
Email: nazmulhaque.120413@gmail.com
Facebook: http://www.facebook.com/nazmul120413

সাবজেক্ট কিংবা ভার্সিটি কোন বিষয় না, বিষয়টা হলো নিজের ইচ্ছা

Published January 19, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

প্রথমে একটা গল্প। আবুল গেছে মাছের বাজারে। তার চিংড়ি মাছ এবং ইলিশ মাছ দুইটাই পছন্দ। পাশাপাশি দুটো দোকানে ইলিশ এবং চিংড়ি মাছ বিক্রি হচ্ছে। সে ভেবেই পাচ্ছে না, কোনটা কিনবে।

আমার এক ফ্রেন্ড ১৩ সালে BUET এ WRE পেলো। KUET, RUET, CUET এ তার পজিশন প্রথম ১-২০০ র মাঝে ছিলো। অর্থ্যাৎ CSE, EEE কমফার্ম। সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে BUET এর WRE তেই ভর্তি হয়।

আর একটা ঘটনা। আমার আর এক বন্ধু, CUET এর CIVIL এ পড়ার খুব ইচ্ছা। KUET, RUET এ ১০০ র মাঝে পজিশন থাকা সত্বেও CUET এর CIVIL এ ভর্তি হয়।

প্রায় ই দেখি প্রথমবারেই কোথাও ভর্তি হওয়া স্টুডেন্ট রা ভাবতে থাকে, সেকেন্ড টাইম দিবো কিনা। আর একাধিক ভার্সিটিতে চান্স পেলে কোথায় ভর্তি হবো, কি পড়বো সেটা নিয়ে প্রশ্ন করতে করতে অবস্থা খারাপ। একাধিক জনের কাছে আলাদা আলাদা উত্তর শুনে “কাচা চুল এক রাত্রিরেই পাকিবার উপক্রম” টাইপসের অবস্থা হয়ে যায়।

তুমি আমানত শাহ লুঙ্গী পড়বা নাকি ATM লুঙ্গী পড়বা, নাকি থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট পড়বা সেই বিষয়ে কি কারো মতামত নেওয়ার দরকার আছে??
উত্তর টা হলো: জ্বী না, নেই।

সামান্য লুঙ্গী/প্যান্টের সিদ্ধান্তের জন্য অন্য কারো উপর নির্ভর করতে পারো না, আর জীবনের এতো গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্তের জন্য অন্যদের উপর ডিপেন্ড করার কথা ভাবো কিভাবে?? 😮

আমার যে ফ্রেন্ডদের গল্প বললাম, তাদের জীবন অন্যরকম হতে পারতো। তথাকথিত ভালো সাবজেক্ট এর পিছে তারাও দৌড়াতে পারতো। জীবনের গল্পটা অন্যরকম ও হতে পারতো। কিন্তু সেটা হয়নি। কারন নিজের প্রচন্ড ইচ্ছা, একাগ্রতা। আর নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকার এই ইচ্ছাই অনেকদূর নিয়ে যাবে 🙂

জীবন তোমার। তোমার সীমানা তোমার চেয়ে ভালো আর কেউ জানে নাহ। যে সাবজেক্ট ভালো লাগে সেটায় ই পড়ো। ভার্সিটি ভালো না খারাপ সাবজেক্ট ভালো না খারাপ এটা নিয়ে চিন্তা করে লাইফ হেল করার দরকার কি?? কাউকে না কাউকে শুরু করতেই হয়। তুমি নিজের অবস্থানে ভালো করো।

জীবনে অনেক সময় টিপিক্যাল সিচুয়েশনে পড়ে যাই আমরা। কনফিউশন, পা পিছলে পড়ার ভয়ে অন্যদের কে/সফলদের কে অন্ধভাবে অনুসরন করার চেষ্টা করি। কিন্তু ভাই, তোমার সফলতা শুধু তোমার হাতে। অন্যদের দেখানো পথে নয়, নিজের স্বপ্নসিড়ি নিজে বানাও 🙂

#মুক্ত_করো_ভয়
আপনা মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়

#koushik
#sust

%d bloggers like this: