Get Inspiration

All posts in the Get Inspiration category

স্বপ্ন পূরণের বাস্তব গল্প

Published January 28, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

#স্বপ্ন_পূরণের_বাস্তব_গল্প:
.
ছেলেটার স্বপ্ন ছিলো প্রকৌশলী হবে। গ্রামের একটি স্কুল থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ সহ পাশ করার পর শহরের একটি সরকারি কলেজে ভর্তি হয়। ছেলেটা নিজের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করার পর ঢাকার একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়।
.
ভালোই চলছিল তার কোচিং লাইফ। নিয়মিত কোচিং এ ক্লাস করে ও কোচিং এর সব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ছেলেটার মাঝে সঞ্চার হয়েছিলো হিউজ পরিমাণে কনফিডেন্স। তার স্বপ্ন পুরণে বাধা আসল ৯ আগস্টে, এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিন। ঐ দিন তার রুমমেটরা, কোচিংমেটরা জিপিএ-৫ পেলেও সে পায় নি। তার জিপিএ ছিল- ৪.৭৫।
.
পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও ইংলিশে ছিল না পর্যাপ্ত জিপিএ। তাই, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন তার সেদিন শেষ হয়ে গেলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল সাবজেক্টে পড়ার চান্স তখনও তার সামনে খোলা ছিল।
.
রেজাল্টের দিন সে কষ্ট পেয়েছিলো শুধুমাত্র একটা কারণে। তার বাবা সেইদিন তাকে ফোন করে বলেছিল, “অমকের বাবা বাজারে লোকজনদের মিষ্টি খাওয়ালো, তার ছেলে এ+ পেয়েছে বলে; আমার কি ইচ্ছা করে না, আমিও মানুষদের মিষ্টি খাওয়াই?”
.
বাবার এই কথাটা শুনে সে খু্ব কষ্ট পেলেও ভেঙ্গে পড়েনি। রেজাল্ট পেয়ে সে হতাশ হয়নি, বরং দুই রাকাত নফল নামায আদায় করে আল্লাহর কাছে সেদিন সে কেঁদেছিল। এতই কান্না করেছিল যে, সৃষ্টিকর্তার কাছে সেদিন সে কিছু চাইতে পারেনি। কিন্তু, আল্লাহ তাওয়ালা মহান, তিনি সবার মনের অবস্থাটা বুঝতে পারেন। সে না চাইলেও আল্লাহ তা ঠিকই শুনেছিল। ছেলেটা মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করছিল।
.
.
কিন্তু, বারবার সে ব্যর্থ হচ্ছিলো। এ যেন এক কঠোর ধৈর্যের পরীক্ষা। দেখতে দেখতে সব ভার্সিটির এক্সাম শেষ হয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু কোথাও তার চান্স হচ্ছিলো না। তবে, সেও ধৈর্য হারা হয়নি। লেগেছিল শেষ পর্যন্ত। অবশেষে, ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয় কুবি, নোবিপ্রবি, ঢাবি প্রযুক্তি ইউনিট এই তিনটার ভর্তি পরীক্ষা। এই তিনটা পরীক্ষার মধ্য দিয়েই শেষ হচ্ছিল ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি যুদ্ধ। ছেলেটা এই তিনটা এক্সামেই অংশগ্রহণ করেছিল। আল্লাহ তাওয়ালার অশেষ রহমতে, সে এই তিনটা প্রতিষ্ঠানেই চান্স পেয়েছিল। নোবিপ্রবি-তে এনভারয়নমেন্টাল সায়েন্স, কুবিতে গণিত ও প্রযুক্তি ইউনিটে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পেয়েছিল। বর্তমানে সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবিতে) গণিত বিভাগে ভর্তি হয়ে আছে।
.
সে বিশ্বাস করে, আল্লাহ এর মধ্যেই তার মঙ্গল লিখে রেখেছেন। আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যেই করেন। আল্লাহ তাওয়ালা কারও সাথে অবিচার করেন না।
.
এই ছেলেটা কে, জানো?
.
……..-এই ছেলেটা আর কেউই নয়, এই ছেলেটা আমি।
.
.
আল্লাহ আমাকে প্রকৌশল সাবজেক্টে পড়তে দেয়নি, কারণ সেটাতে আমার মঙ্গল ছিলো না। আল্লাহ আমাকে এখন যেখানে যে সাবজেক্টে রেখেছেন, এটাই আমার জন্যে সর্বোত্তম জায়গা।
.
.
ভাই, তোমরা যারা ভর্তি পরীক্ষা দিবে তাদেরকে বলছি; হতাশ হয়ো না, চেষ্টা করো শেষ পর্যন্ত। তোমার চেস্টা সঠিক হলে, অবশ্যাই তুমি সফল হবে।
.
.
আল্লাহ তাওয়ালা কারও সাথে কোন অবিচার করেন না।
.
.
লিখেছেন:

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University. Mobile: 01737-101388 Email: nazmulhaque.120413@gmail.com Facebook: www.facebook.com/nazmul120413

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University.
Mobile: 01737-101388
Email: nazmulhaque.120413@gmail.com
Facebook: http://www.facebook.com/nazmul120413

Advertisements

সফল হতে জিপিএ-৫ লাগে না

Published January 21, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৪২ হাজার ৮৯৪
জন। অল্পের জন্য জিপিএ-৫ না পাওয়া শিক্ষার্থীর
সংখ্যা তাই লাখ ছাড়িয়েছে। ৯ আগস্ট এইচএসসি
পরীক্ষার ফল বেরোনোর পর থেকে ঘরে
ঘরে কান্নার রোল পড়ে গেছে। রাজ্যের হতাশা
ভর করেছে জিপিএ-৫ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের
চোখে-মুখে। কে তাঁদের বোঝাবে, জিপিএ-৫-
ই সফল হওয়ার একমাত্র অবলম্বন নয়।
যারা জিপিএ-৫ পাওনি, তাদের উদ্দেশে বলছি, জিপিএ-৫
না পেলেই সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায় না। কারণ,
বেশির ভাগ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি আবেদনের
জন্য জিপিএ-৫ প্রয়োজন হচ্ছে না। চলো সেসব
তথ্যে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।
গত বছরের ভর্তিতথ্য অনুযায়ী, মেডিকেল
কলেজগুলোর ভর্তি পরীক্ষার জন্য এসএসসি ও
এইচএসসি দুটি মিলিয়ে একসঙ্গে জিপিএ-৮.০০ এবং
আলাদাভাবে জিপিএ-৩.৫০ থাকলেই চলে।
দেশের সর্ববৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকানো যাক। এবার এইচএসসি
ফল কিছুটা খারাপ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
যোগ্যতা কিছুটা শিথিল করেছে, সব বিভাগেই চতুর্থ
বিষয়ের নম্বরসহ আবেদন করা যাবে। ‘ক’
ইউনিটের (বিজ্ঞান শাখা) জন্য এসএসসি ও এইচএসসি বা
সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৮ থাকতে হবে।
একইভাবে ‘খ’ ইউনিটের (মানবিক শাখা) জন্য জিপিএ-৭
এবং ‘গ’ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা শাখা) জন্য মোট
জিপিএ-৭.৫ থাকলেই চলবে।
এখন তোমরাই ঠিক করো, জিপিএ-৫ পাওয়া জরুরি, নাকি
বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল কলেজে সুযোগ পাওয়া
জরুরি? লক্ষ করো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং
মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় যেখানে
জিপিএ-৫ লাগছে না, সেখানে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা কাছাকাছি বা আরও
কিছুটা কম। উল্লেখ্য, শুধু বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার
জন্য জিপিএ-৫ প্রয়োজন হয়।
এসব তথ্যও যাদের মন ভরাতে পারছে না, তাদের
জন্য আমরা বেশ কিছু তথ্য খুঁজে পেয়েছি, যারা
জিপিএ-৫ পায়নি কিন্তু সেরা ফল করে ডিনস অ্যাওয়ার্ড
পেয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েছে,
বিসিএস ক্যাডার হয়েছে, মেডিকেল কলেজে
সুযোগ পেয়েছে। চলো, সে রকম
কয়েকজনের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যাক।
জিপিএ–৫ যে সফলতার মানদণ্ড হতে পারে না, তার
উজ্জ্বল উদাহরণ তাহমিলুর রহমান। তাহমিলুর নটর ডেম
কলেজ থেকে এইচএসসিতে ৪.৭
পেয়েছিলেন। এরপর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেট্রোলিয়াম প্রকৌশল
বিষয়ে স্নাতক এবং বুয়েট থেকে একই বিষয়ে
স্নতকোত্তর করেছেন। এরপর ৩৩তম বিসিএসে
প্রশাসন ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে এখন সহকারী
কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কাজ
করছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনে।
শাহপার শামস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন
ডিনস অ্যাওয়ার্ড। শাহপার এইচএসসিতে জিপিএ কত
পেয়েছিলেন জানো? তার মুখেই শোনো: ‘সিটি
কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলাম।
ফল ছিল জিপিএ-৪.৮। ভেঙে পড়িনি। ভালো প্রস্তুতি
নিয়ে সুযোগ পেয়েছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।’
শাহপারের বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলও ঈর্ষাজাগানিয়া। বিবিএ-
তে ৪ এর মধ্যে সিজিপিএ-৩.৯ এবং এমবিএ-তে
সিজিপিএ-৩.৯৬। শাহপার এখন শিক্ষকতা করছেন একটি
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
এস এম ইবনে সাদ খুলনা পাবলিক কলেজ থেকে
এইচএসসিতে পেয়েছিলেন জিপিএ-৪.৯। খুব হতাশ
হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু হাল ছাড়েননি। দেশের
শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ-
এমবিএ শেষ করে এখন সিএ পড়ছেন।
সোহাগ হাওলাদার পড়ছেন ঢাকা মেডিকেল
কলেজে। সোহাগ বলেন, ‘এসএসসি ও এইচএসসির
দুটিতেই আমি জিপিএ-৫ পাইনি। একটিতে পেয়েছিলাম
জিপিএ-৪.৮৮। কিন্তু ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে
মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকায়
১৮২তম স্থান লাভ করি।’
সবশেষে শোনাই আলী সিদ্দিকীর গল্প। তিনি
আইডিয়াল কলেজ থেকে জিপিএ-৪.৭
পেয়েছিলেন। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে প্রভাষক হিসেবে
কর্মরত।
সুতরাং, এই গল্পগুলো আমাদের এই শিক্ষা দেয় যে
শুধু জিপিএ-৫-এর ওপর জীবনের সাফল্য নির্ভর
করে না। সাফল্য নির্ভর করে আত্মবিশ্বাস ও
পরিশ্রমের ওপর। মনে রাখা জরুরি, বিশ্ববিদ্যালয়ের
ভর্তি পরীক্ষা তুমুল প্রতিযোগিতামূলক একটি
পরীক্ষা। এখানে জায়গা করে নিতে হলে মেধার
প্রমাণ দিতে হবে। সুতরাং হতাশা ঝেড়ে এখনই শুরু
করে দাও ভর্তিপ্রস্তুতি।

লিখেছেন:

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University. Mobile: 01737-101388 Email: nazmulhaque.120413@gmail.com Facebook: www.facebook.com/nazmul120413

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University.
Mobile: 01737-101388
Email: nazmulhaque.120413@gmail.com
Facebook: http://www.facebook.com/nazmul120413

নিজের লক্ষ্যটা ঠিক করো

Published January 17, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

লক্ষ্য ঠিক করা জীবনের গুরুত্বপূর্ন বিষয়গুলোর মাঝে একটা। আজকাল প্রায় ই যে প্রশ্ন টা চোখে পড়ে, “ভাইয়া, অমুক ভার্সিটির অমুক সাবজেক্ট টা ভালো??নাকি তমুক ভার্সিটির তমুক সাবজেক্ট টা ভালো??” কেউ কেউ তো রীতিমতো দরাদরি শুরু করে। অমুক সাবজেক্টে পড়লে স্যালারী কতো হবে?? 😮 😮

ভাইয়া, তুমি কি হতে চাও??

নিজেকে প্রশ্ন করো। অধিকাংশ সময়ে আমরা নিজের ইচ্ছার চেয়ে অন্যদের চাওয়া, পাওয়াকেই অধিক গুরুত্ব দেই। ফলাফল অষ্টরম্ভা। দেখা যায় যে ম্যাথের কিছু বোঝে না তাকে ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য প্রিপেয়ার হতে বলা হয়, আর যে মুখস্ত করার প্রেশার নিতে পারে না তাকে মেডিক্যালের প্রিপারেশন নিতে বলা হয় :3 :p

আর ভাই পড়াশুনা শেষ করার আগেই যদি টাকা ইনকাম করে বউ-বাচ্চাকে খাওয়ানোর চিন্তা শুরু করে দাও, তাহলে শিক্ষার উদ্দেশ্যটা নিয়েই ওয়াকিবহাল নও তুমি :p

বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রায় ই দেখা যায় অভিভাবকেরা ইঞ্জিনিয়ারিং/মেডিক্যাল ই প্রিফার করেন। ফলশ্রুতিতে একটা মাত্র পরীক্ষার ব্যবধানে চান্স পাওয়া ছেলে/মেয়েটা ফ্যামিলি, সমাজের চোখে আদর্শ আর চান্স না পাওয়া স্টুডেন্ট রা শাকের আটির বোঝা হিসেবে পরিগণিত হয়।

চার/পাচ বছর পরে কোথায় দেখতে চাও নিজেকে?? যদি নিজেকে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দেখতে চাও, ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্যই প্রিপারেশন নাও। ডাক্তার হিসেবে দেখতে চাইলে ইঞ্জিনিয়ারিং এর ই প্রিপারেশন নাও। উকিল হিসেবে দেখতে চাইলে ল তে পড়ার প্রিপারেশন নাও, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গুলোয় কিছু করার ইচ্ছা থাকলে বিবিএ র প্রস্তুতি নাও।

একসময় ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি আর বড়ো পাবলিক ভার্সিটিগুলোতেই শুধু ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হতো। এখন অনেকগুলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। প্রতিবছর নতুন নতুন সাবজেক্ট যোগ করা হচ্ছে।

নতুন মেডিক্যাল কলেজ চালু করা হচ্ছে প্রতিবছর।

সুযোগটা কিন্তু বাড়ছেই। তবুও যদি বলো সুযোগ কম, তাহলে সেটা আত্মপ্রবঞ্চনা ব্যতীত কিছুই নয়। অন্যরা পারলে তোমার না পারার কোন কারন তো দেখি নাহ।

তবে হ্যা, জীবন শুধু ডাক্তারি আর ইঞ্জিনিয়ারিং এর ওপরে চলে নাহ। কেউ বিজ্ঞানী হতে পারে, কেউ উদ্যোক্তা হতে পারে, কেউ খেলোয়ার হতে পারে, কেউ অভিনেতা হতে পারে। কারো গুরুত্ব ই কম নয়।
যার যেটা মন চায় সে সেটাই করো। সেটায় ই বেস্ট হও। তাহলেই লাইফে সফল হতে পারবে।

হ্যা, তার মানে এটা না যে পড়াশুনা বাদ দিয়ে অন্য কিছুর চিন্তা ভাবনা করা শুরু করবা। লাইফে পড়াশুনা টা সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট।
অবশ্যই পড়াশুনা ঠিক রেখেই বাকীসব করতে হবে।

লাইফ টা জাস্ট একটা সহজ অংকের মতো চিন্তা করো। তুমি কতোটুকু পারবা, তোমার সামর্থ্য, তোমার আগ্রহ তোমার চেয়ে ভালো কেউ জানে নাহ।

তাই স্বপ্ন দেখো, পরিশ্রম করো। একমাত্র পরিশ্রম ই সফলতার আলো দেখাতে পারে 🙂

#koushik
#sust

একটিমাত্র সিদ্বান্তের প্রতি অটুট না থেকে সিদ্বান্তটা পরিবর্তন করলে সফলতা বাড়ে

Published January 13, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

মানুষ যদি একটি সিদ্বান্তের প্রতি অটুট না থেকে তার সিদ্বান্ত পরিবর্তন করে,তাহলে তার সফলতার হার যে বেড়ে যায়, এই লেখায় সে সম্পর্কে আলোচনা করব।

*প্রাচীন গ্রিকে “মাউন্টি হল মার্কস” নামে এক ব্যাক্তি ছিলেন। যিনি প্রতি বছর একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করতেন। প্রতিযোগিটি এরকম, “তিনটি পৃথক পৃথক দরজার পিছনে তিনটি বাক্স রাখা আছে। এ তিনটি বাক্সের মধ্যে
যেকোন একটি বাক্সে পুরস্কার আছে এবং কোন বাক্সে পুরস্কারটি আছে, এ কথাটা শুধু উপস্থাপক জানতেন। এখানে, একজন প্রতিযোগী যেকোন একটি দরজা নির্বাচন করতে পারবেন এবং এখানে উপস্থাপক প্রতিযোগিকে একটু
হেল্প করতে, বাক্স খোলার আগে তাকে একটা ক্লু বা তথ্য দিবেন। এবং তথ্যটি হলো, তিনি অন্য এমন একটি দরজার মধ্যে রাখা বাক্স খুলে দেখাবেন, যে দরজার বাক্সে কোন পুরস্কার নাই। তারপর, তখন উপস্থাপক প্রতিযোগিকে জিজ্ঞেস করবেন যে, প্রতিযোগি দরজা পরিবর্তন করবে কি না?

এখানে, দুটি ঘটনা ঘটতে পারে-
(১)প্রতিযোগি দরজা পরিবর্তন করবে না এবং
(২) দরজা পরিবর্তন করবে।

চলো দেখা যাক, কোন ক্ষেত্রে সাফল্য কতটুকু তার একটা গাণিতিক ব্যাখ্যা করে আসি। ব্যাখ্যাটি সহজে বুঝতে, প্লিজ একটু খাতা-কলম নিয়ে বসো। নতুবা, একটু সমস্যা হতে পারে। কারণ, এখনে একটু-আকটু গুণ-ভাগ করা লাগতে পারে। মনোযোগ দিয়ে পড়লে অবশ্য বিষয়টি সহজেই বুঝতে পারবে।

প্যাঁচাল না পেরে চলো ব্যাখ্যায় যাই।

*ধরা যাক, A, B ও C তিনটি দরজা এবং আরও ধরা যাক, তিনটি দরজার মধ্যে A দরজাটির বাক্সে পুরস্কার রাখা আছে।
ক্ষেত্র-১:
এখন, একজন প্রতিযোগি A দরজাটিতে ঢুকল। তখন শর্ত মোতাবেক উপস্থাপক তাকে এমন একটি দরজা খুলে দেখাবেন, যে দরজাটির বাক্সে কোন পুরস্কার নাই। প্রতিযোগী যখন A দরজা নির্বাচন করবে তখন, শর্ত অনুযায়ী উপস্থাপক B অথবা C দরজাটি খুলে দেখাবেন; কেননা এ দুটি
দরজাটির বাক্সেই কোন পুরস্কার রাখা নাই। ধরুন, উপস্থাপক C দরজাটি খুলল। এতে প্রতিযোগী নিশ্চিত হলো পুরস্কারটি A অথবা B তে আছে। এরপর, উপস্থাপক প্রতিযোগিকে প্রশ্ন করল, “আপনি কি দরজা পরিবর্তন করবেন?” মানে, A থেকে B তে যাবেন?
যেহেতু, উপস্থাপক ছাড়া অন্য কেউই জানতেন না যে, পুরস্কারটি কোন দরজায় আছে। তাই, এখানে প্রতিযোগি হয়, দরজা চেঞ্জ করবেন অথবা, চেঞ্জ করবেন না।

সিদ্ধান্ত-১:
ধরি, প্রতিযোগি দরজা চেন্জ করবেন না। তাহলে, সে জিতল। কেননা, A দরজাটিতে পুরস্কার ছিল। সফলতার হার ১০০%।

ক্ষেত্র-২:

এখন, যদি প্রতিযোগী প্রথমে A তে না গিয়ে B তে যায়। তাহলে, উপস্থাপক অবশ্যাই C দরজাটি খুলবেন। কেননা, A তে পুরস্কারটি আছে। কারণ- শর্তমতে, উপস্থাপক প্রতিযোগীর দরজা বাদে
এমন দরজা খুলবেন যেখানে পুরস্কার নাই। এক্ষেত্রে, প্রতিযোগী যেহেতু তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন না, অর্থাৎ দরজা চেঞ্জ করবেন না,তাই এবার সে হারল। কেননা, পুরস্কারটি A তে ছিল। এক্ষেত্রে ব্যর্থতার হার ৩৩.৩৩%।

ক্ষেত্র-৩:
আবার, প্রতিযোগী প্রথমে A ও B তে না গিয়ে যদি C তে যায়, তবে শর্ত অনুযায়ী,উপস্থাপক এবার B দরজাটিতে খুলবেন এবং একই প্রশ্ন আবার করবেন। যেহেতু, প্রতিযোগী দরজাটি পরিবর্তন করবেন না, তাই সে এবারও হারল!! এবারও তার ব্যর্থতার হার ৩৩.৩৩%।
সুতরাং প্রতিযোগীর সফলতার মোট
হার=
{১০০-(৩৩.৩৩+৩৩.৩৩)}=৩৩.৩৩%।

সিদ্ধান্ত-২:
এবার, অনুরুপভাবে অন্য আরেকজন প্রতিযোগির কথা চিন্তা করে দেখো, যে কিনা প্রতি ক্ষেত্রেই তার সিদ্ধান্তটা চেঞ্জ করবে।
তাহলে, প্রথম ক্ষেত্রে সে হারবে। কেননা, পুরস্কারটি A তেই ছিল। তাই ব্যর্থতার হার ৩৩.৩৩%।
আবার, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে কিন্তু সে জিতবে। এর ব্যাখ্যা দেই, প্রতিযোগি যখন B তে ঢুকবে, উপস্থাপক তখন C খুলে দেখাবে। যেহেতু, প্রতিযোগি তার সিদ্বান্ত চেঞ্জ করবে, তাই সে B হতে A তে যাবে। অর্থাৎ সে জিতবে। মানে
সফলতার হার ৩৩.৩৩%।
অনুরুপভাবে তৃতীয় ক্ষেত্রেও কিন্তু প্রতিযোগি জিতবে। কেননা, প্রতিযোগি যখন C তে যাবে, উপস্থাপক তখন শর্ত অনুযায়ী B খুলবে। যেহেতু
প্রতিযোগি তার সিদ্বান্ত চেঞ্জ করবে,
তাই সে C হতে A তে যাবে। অর্থাৎ সে জিতবে।
এক্ষেত্রে সফলতার হার ৩৩.৩৩%।
সুতরাং, মোট সফলতার হার= ৬৬.৬৭%।

অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে যে, হল মার্কসের সেই ঐতিহাসিক প্রতিযোগিতায় যারা তাদের সিদ্বান্ত পরিবর্তন করত তারাই সাকসেস হতো।

অতএব, এতক্ষণ বগ-বগানি শেষে আমরা এই সিদ্বান্তে উপনিত হতে পারি যে, একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের প্রতি অটুট না থেকে যদি
সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করা যায়, তবে সফলতার হার দ্বিগুন পরিমাণে বেড়ে যায়।
হ্যা, এটা সত্য যে, লক্ষ্য তো যেকোন
একটা হওয়াই ভালো। কিন্তু, যখন তুমি তোমার লক্ষ্যে পৌছাতে ব্যর্থ হবে তখন
কি করবে? তখন কি ঐ লক্ষ্যতেই অটুট
থাকবে? ভেঙ্গে পড়বে? হতাশ হবে? নাকি লক্ষ্যটা চেঞ্জ করবে?
এটা তুমি নিজেই ডিসাইড করো।

এই থিওরিটা কিন্তু জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্যেই সত্য। প্রেমে ছ্যাকা খাওয়া হিরোরাও কিন্তু আমার এই লেখা থেকে একটু সান্ত্বনা পেতে
পারো। ছ্যাঁকা খাইয়া নিজের মূল্যবান জীবন নষ্ট না করে, সিদ্ধান্ত বদলাও। ইন-শাহ্-আল্লাহ, সফলতা পাবে।

আমার এই লেখাটি মুলতঃ এডমিশন পরীক্ষার্থীরা যারা আছে, সেই মহান বীরদের জন্যে রচিত। কেননা, তারা কেউ বুয়েট, কেউ মেডিকেল, কেউ বা ঢাকা ভার্সিটি করে করে চিল্লাচ্ছে। কিন্তু, যখন তারা নিজের সিদ্ধান্তে পৌছাতে ব্যর্থ হয়, তখন হতাশার নিষ্ঠুর আগুনে পুরে জর্জরিত হয়। আমি বলছি না যে, বুয়েট-মেডিকেল-ঢাকা ভার্সিটি কারও লক্ষ্য হওয়া খারাপ কিছু। কিন্তু,
কোন কারণে যদি এই তিনটা না হয়? তবে?

তোমরা যারা ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে এক্সাম দিবে কিংবা যারা সেকেন্ড টাইমাররা আছো, তাদের বলছি- তোমাদের সামনে যদি এ ধরনের সিচুয়েশনের সৃষ্টি হয়, তবে নিজের ওই পুরনো সিদ্বান্তের প্রতি অটুট না থেকে সিদ্বান্ত টা পরিবর্তন করো। ভেঙ্গে না পরে, ইয়ার লস না দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তটা বদলাও। যারা বুয়েট ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ব্যর্থ হবা বা হয়েছো, তারা ঢাকা ভার্সিটির জন্য প্রিপারেশন নাও। আর, যারা ঢাকা ভার্সিটি মিস করবা বা করছো, তারা অন্যান্য ভার্সিটির জন্য প্রিপারেশন নাও।
তাহলে, তোমার সফলতাটা কিন্তু বেড়ে
যাবে। বহন করতে হবে না ব্যর্থতার
গ্লানি।

আমার কাছে অবশ্য সেকেন্ড টাইমাররাই বেশি প্রিয়। ভাই, তোরা যারা সেকেন্ড টাইমার আছিস তারা, সময় নষ্ট না করে মন প্রাণ দিয়ে চেস্টা কর। আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা আর, নিজের উপর পূর্ণ বিশ্ববাস রেখে লক্ষ্য পুরণের উদ্দেশ্যে এগিয়ে যা, সফল তোরা হইবিই হইবি। একটা কথা মনে রাখিস, আল্লাহ তোর কপালে যা লিখে রাখছে তা থেকে কেউ তোকে আটকাতে পারবে না। মহান আল্লাহ তাওয়ালা কারও প্রতি অবিচার করেন না।

লিখেছেন:

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University. Mobile: 01737-101388 Email: nazmulhaque.120413@gmail.com Facebook: www.facebook.com/nazmul120413

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University.
Mobile: 01737-101388
Email: nazmulhaque.120413@gmail.com
Facebook: http://www.facebook.com/nazmul120413

একটা কথার জন্যেই মনে হয় এখন পর্যন্ত বেঁচে আছি

Published January 13, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

একটা কথার জন্যেই মনে হয় এখন পর্যন্ত বেঁচে আছি। “আল্লাহ যা করে, ভালোর জন্যেই করে”।
আসলে এই কথাটার সাথে শুধু ধর্মের বিশ্বাসই
নেই, এতে মিশে আছে সফলতা নামক এক কঠোর মন্ত্রও। এই কথাটা যদি কেউ বিশ্বাস না
করতো, তাহলে মনে হয় না সে বেঁচে থাকতে
পারতো। মানুষের জীবনে চলার পথে বাধা-বিপত্তি
না আসলে, বাস্তবতার সাথে যেমন পরিচিত হওয়া যায় না, তেমনি “সফলতা” নামক সিড়িতে পা রাখলেও তার প্রকৃত স্বাদ ভোগ করা যায় না। সুইডেনের এক স্কুল ছাত্রকে ক্লাস থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল এই জন্য যে, তার স্মৃতি শক্তি অত্যধিক দুর্বল!! এই ছেলেকে দিয়ে জীববিজ্ঞানের মতো vital subject পড়া সম্ভব না। তাকে অন্য বিষয় পড়তে দেয়া হোক যেটা তার জন্য সোজা। পরবর্তীকালে ইনিই হয়েছিলেন দ্বিপদ নামকরনের জনক !! বিশ্ব তাকে চেনে বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস নামে !! মাইক্রসফটের প্রতিষ্টাতা বিল গেটসের নাম
সবারই জানা। কলেজের এক পরীক্ষায় তার বন্ধু
সকল সাবজেক্টে পাশ করেছিল, আর বিল গেটস
এক সাবজেক্টে ফেল করেছিলো। কিন্তু, তার বন্ধু
এখন একজন ভালো সফটওয়্যার ইঞ্জিয়ার, আর বিল গেটস সফটওয়্যার কোম্পানির মালিক। ক্যারিয়ারের প্রথম দুই ম্যাচেই শুন্য রানে আউট
হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, এখন তিনিই ক্রিকেট
বিশ্বের লিটল মাস্টার খ্যাত, নাম তার শচীন রমেশ টেন্ডুলকার!!! বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা, টেস্ট ও ওয়ানডে দুইটাতেই যার ব্যাটিং গড় ৪৫ এর উপরে, সেই কিউই বব্যাটসম্যান কেন উইলিয়ামসনের ক্যারিয়ারও কিন্তু শুরু হয়েছিলো শুন্য দিয়ে।ডেল কার্নেগীকে বলা হয় সর্বকালের সেরা বক্তা !তার কাহিনীটা জানা আছে কারো?। শুনুন তাহলে … জীবনে প্রথমবারের মতো ডেল কার্নেগী যখন মঞ্চে উঠে সবার সামনে ভাষণ দিতে শুরু করলেন তখন অডিয়েন্স তার দিকে ডিম ছুড়ে মেরেছিল । সেদিন ২ মিনিটের বেশি মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন নি । ব্যাপারটা কার্নেগী মেনে নিতে পারেন নি । এরপর থেকে তিনি ভাষণ দেয়ার অনুশীলন শুরু করলেন । যেখানে সেখানে গিয়ে ভাষণ দিতেন । রাতের বেলা নির্জন ল্যাম্প পোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিতেন । ফাঁকা হল রুমে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একা একা কথা বলে যেতেন । তার পরের গল্পে ডেল কার্নেগীকে আমরা সবাই চিনি। ইতিহাস ঘাটলে এরকম হাজার হাজার দৃষ্টান্ত চোখে পড়বে। প্রশ্ন আসতে পারে, এই দৃষ্টান্তগুলো আবার কতটুকু সত্য??? এগুলো সত্য কি মিথ্যা, সেটা বুঝতে হলে নিজেকে দিয়ে প্রমাণ করাতে দেখতে পারো।। মনে কিছু নেওয়ার দরকার নেই, কলামের শুরুতেই একটা কথা বলেছিলাম, “আল্লাহ যা করে, ভালোর জন্যেই করে”। আরও একটা কথা আছে, “ব্যার্থতাই সাফল্যের সোপান”। ও হ্যা, আরেকটি কথা বলি, সফলতার পিছনে মানুষের মেধার কোন দাম নেই। এর পিছনে পরিশ্রম আর ভাগ্যোই সব। তাই, নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চেষ্টা করুন, ইন-শাহ-আল্লাহ, সফলতা আসবেই। একটা কথা আমাদের সবারই মনে রাখা উচিত, “আল্লাহ তাওয়ালা কারও সাথে অবিচার করেন না”।
তাই, যদি কারও কঠোর প্রচেষ্টা থাকে, স্বার্থক সে হবেই।

লিখেছেন:

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University. Mobile: 01737-101388 Email: nazmulhaque.120413@gmail.com Facebook: www.facebook.com/nazmul120413

Md. Nazmul Haque, Department Of Mathematics, Comilla University.
Mobile: 01737-101388
Email: nazmulhaque.120413@gmail.com
Facebook: http://www.facebook.com/nazmul120413

স্বপ্ন ও আমি

Published January 11, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

সপ্ন ছিল আকাশ ছোয়া , ভেবেছিলাম যেভাবেই হোক জিপিএ -৫ আসবে । তাই ,উদ্ভাসের প্রতিটি ক্লাস খুব মনোযোগ দিয়ে করতাম ।
কিন্তু না রেজাল্টে আসল জিপিএ-৪.৪০ । মাথায় রীতিমত আকাশ ভেঙ্গে পড়ল । হতাশ হয়ে পড়েছিলাম খুব । সিদ্ধান্ত নিলাম ,আমার যে অপসনগুলো অবশিষ্ট আছে , তাতে নিজের সব চেষ্টা উজাড় করে দিব । খুবই অল্প সময়ই পেয়েছি ঢাবির জন্যে প্রস্তুতি নিতে, যার দরুণ ঢাবিতে আসে নি । তখন মনে হচ্ছিল সময় ,পরিবেশ , পরিবার সবই যেন আমার প্রতিকূলে । সুইসাইড এর চিন্তা বহুবার এসেছি ,সবসময় নিজেকে সাত্ত্বণা দিয়েছি এই মনে করে যে ,আমাকে এর শেষটা দেখে নিতেই হবে । আল্লাহর অশেষ রহমতে চবির ‘ল তে চান্স পেয়ে যাই । অবশেষে একটা কথাই বলব নবীনদের জন্যে , কখনোই হাল ছাড়া যাবে না । বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া অনেকাংশে নিভর করে অন্যের সাথে প্রতিযোগীতায় নয় ,বরং নিজের সাথে তুমি কতখানি পেরে উঠছ তার ওপর ।

হাসান সাকিল
চবি (Department OF Law,23 rd Batch) .

মায়ের জন্য চান্স পেতে হবে

Published January 11, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু কথা

অনেকেই বলেছ পড়তে গেলে বেশীক্ষন পড়তে পারিনা, পড়ায় মন বসে না। কি করবো?

উত্তরঃ যারা পড়ালেখায় মন দিতে পারছো না, তাদের বলবো যখন আর পড়তে ইচ্ছে হবে না বা পড়ায় মন বসবে না তখন চুপচাপ তোমার মায়ের পাশে গিয়ে বসবে। মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখো তোমার জন্য ঐ চোখে কত স্বপ্ন(!) পারবে কি মায়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিতে? তোমার জন্য নাই হোক, তোমার মায়ের জন্য তোমাকে চান্স পেতেই হবে

যেদিন ভার্সিটিতে চান্স পেয়ে মাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম, মা কেদেছিল, এই কান্না আনন্দের, গর্বের। তুমি সেদিন বুঝবে কষ্ট স্বার্থক হবার আনন্দ কতটুকু(?)

কষ্ট করে যাও, যখন সফল হবে তখনই বুঝবে সেই আনন্দ কি পরিমান হতে পারে। আমরা আছি তোমাদের অপেক্ষায়..…..…..…..

 

Written By: Mohammad Imran Hosen Shovo

Directorবিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগীতা কেন্দ্র

%d bloggers like this: