Schoolarship Related Special Post By Naim Vai

All posts in the Schoolarship Related Special Post By Naim Vai category

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-৯

Published February 11, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৯
.
প্রায় স্কলারশিপ সংক্রান্ত প্রতিটি পোস্ট এই স্কলারশিপ নিয়ে কিছু না কিছু তথ্য দিয়ে আসছি।তাই যারা মনে করছো স্কলারশিপ নিয়ে বাইরে পড়তে যাবা তারা পেজের স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট গুলো শেষ পর্যন্ত নিয়মিত দেখে যাও আশা করি মনে আর কোন প্রশ্ন থাকবে নাহ 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
বাংলাদেশের ছাত্র ছাত্রীরা বেশির ভাগই জানে না, সেজন্য অনেকেই আবেদন করতে পারে নাহ এই স্কলারশিপ টায়। এছাড়াও, ভারতীয় সেমিস্টার সিস্টেমে বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের ক্লাস শুরু হয় আমাদের দেশের চেয়ে কিছুটা পরে। ততদিনে বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী কোথাও না কোথাও ভর্তি হয়ে যায়, অথবা দ্বিতীয়বারের মতো পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
বিরাট সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী হতাশায় ভোগে। ফলে কিছুদিন আগে পর্যন্তও এই স্কলারশিপ গুলোর সংখ্যার সমান সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীই আবেদন করতো না। ফলে যারা আবেদন করতো, তারাই কোন রকম প্রতিযোগিতা ছাড়াই ভারতে পড়তে চলে যেতো স্কলারশিপ নিয়ে 🙂 ।
.
এখন কিছুটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়েছে এই স্কলারশিপটি, তবুও আবেদকের সংখ্যা খুবই নগণ্য। সুতরাং, আবেদনটা করে দিলেই খুব বড় ধরনের সুযোগ থাকে চান্স পেয়ে যাওয়ার 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
জেনে অবাক হবে তোমরা, টিউশন ফি এবং মাসিক হাতখরচ সহ স্কলারশিপটির অর্থমূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮ লক্ষ টাকা।আর এর পুরোটাই পাচ্ছ তুমি বিনামূল্যে যদি এই স্কলারশিপ টা পাও তাহলে।এখন প্রশ্ন হচ্ছে, স্কলারশিপটা কীভাবে পাওয়া যায়, কী কী লাগে এবং আবেদন কীভাবে করতে হয় এইসব জানতে পেজের পোস্ট গুলোই চোখ রাখো নিয়মিত 🙂 ।
.
#নাঈম ( Naeem Islam ) 🙂
Taylor’s University, Malaysia

Advertisements

স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৮

Published February 5, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৮
.
যাদের শুধু পাসপোর্ট আছে কিন্তু কোন IELTS এর কোর্স করা নাই তাদের জন্য ইন্ডিয়ান সরকার বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ করে দেয় অর্থাৎ শিক্ষাবৃত্তি বা স্কলারশিপ দেয় বছরে একবার 🙂 ।মানে তুমি যদি এই স্কলারশিপ এ চান্স পাও তাহলে তুমি ইন্ডিয়ার ভাল ভাল পাবলিক ভার্সিটি তে পড়তে পারবা সম্পুর্ন ফ্রি তে।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
স্কলারশিপ দেয়া হয় আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, গবেষণা অর্থাৎ Ph.D এবং বিভিন্ন পারফর্মিং আর্ট যেমনঃ নাচ, গান ইত্যাদির জন্য 🙂 ।তবে তোমাদের জেনে রাখা ভাল এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্সের জন্য স্কলারশিপ দেয়া হয়না ইন্ডিয়ায় বাকি সব কিছুর জন্য স্কলারশিপ দেওয়া হয় 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা সীমিত হওয়ার জন্য, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচুর খরচের জন্য এবং পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়টি পড়তে না পারার জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পাস বহু শিক্ষার্থী এক বছর নষ্ট করে,তাও অনেকের ঠাঁই হয়না কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাদের জন্য এই স্কলারশিপটি হতে পারে চমৎকার একটা সুযোগ। এই স্কলারশিপে কিভাবে তুমি আবেদন করবে কিভাবে চান্স পাবে কি কি সুবিধা পাবে, হাত খরচের জন্য প্রতি মাসে কত টাকা পাবে,কতোজন শিক্ষার্থী নিবে এইসব কিছু জানতে সামনের পর্ব গুলো নিয়মিত দেখে যাও।
.
কালকে সকাল ১০ টায় পরবর্তী পর্ব নিয়ে আলোচনা করবো ইনসাআল্লাহ 🙂 ।
.
.

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia. fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia.
fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৬

Published February 5, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৬
.
তোমরা নিশ্চয় জানো যে বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে IELTS অত্যান্ত গুরুত্তপূর্ণ 🙂 ।তাই আমি আজ তোমাদের IELTS সম্পর্কে ৪ পর্বের পোস্ট এর মধ্যে আজকে ৩য় পর্বো বিস্তারিত আলোচনা করব আশা করি তোমাদের কাজে লাগবে 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
☞IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতি—-
.
আইইএলটিএস পরীক্ষা নিয়ে উত্কণ্ঠার কিছু নেই। নিয়মিত প্রস্তুতি নিয়ে যথেষ্ট ভালো স্কোর করা সম্ভব। শুরুতেই তোমার লক্ষ্য ঠিক করে নাও। তবে ইংরেজিতে তোমার এত দিনকার যা দক্ষতা, সে অনুযায়ীই লক্ষ্য ঠিক করবে। রাতারাতি ভালো স্কোর করা সম্ভব নয়। আবার ইংরেজিতে তুমি যথেষ্ট দক্ষ হলেও কোনো প্রস্তুতি ছাড়া পরীক্ষা দিয়ে আশানুরূপ স্কোর করা সম্ভব নয়।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
রোজকার কাজের মধ্যেই অন্তত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখ এ জন্য। কত দিন ধরে প্রস্তুতি নেবে, এটা তোমা দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। অন্তত তিন মাস সময় হাতে রাখা ভালো। প্রশ্নপত্র সমাধান করাটা প্রস্তুতির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঘড়ি ধরে প্রশ্নপত্র সমাধান কর। সম্ভব হলে পরীক্ষার পরিবেশে একসঙ্গে সব অংশের পরীক্ষা দাও ।
.
কেমব্রিজ থেকে প্রকাশিত আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নীলক্ষেতে কিনতে পাওয়া যায়। এগুলো সমাধান কর।বাজারে অসংখ্য বই পাবে। তবে সবই নির্ভরযোগ্য এ কথা বলা যায় না। এ পরীক্ষার জন্য কোচিং করবেন কি না এটা সম্পূর্ণ তোমার সিদ্ধান্ত। তবে যা-ই কর বাড়িতে নিজে পড়াশোনা করতে হবে 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
আইইএলটিএস নিবন্ধনের সময় প্রস্তুতির জন্য দুটি ছোট বই দেওয়া হয়। এগুলো ভালোমতো পড় ও সমাধান কর। ব্যাকরণের অনেক খুঁটিনাটি জানতে পারবে। আবার এমন অনেক বিষয়, যা স্কুল-কলেজে পড়েছ কিন্তু এখন মনে নেই, তা ঝালিয়ে নিতে পারবে। এ পরীক্ষা নিয়ে অনেকের কাছ থেকে অনেক রকম কথা শুনতে পাবে :-/
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
এতে দ্বিধা বা উত্কণ্ঠায় ভুগবে না। আইইএলটিএস সম্পর্কে যেকোনো তথ্য পেতে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং আইডিপি, বাংলাদেশ। ব্রিটিশ কাউন্সিলের লাইব্রেরিতে প্রস্তুতির জন্য প্রচুর ভালো বই পাবে। তবে এগুলো ব্যবহারের জন্য লাইব্রেরির সদস্য হতে হবে। নীলক্ষেত থেকে যেনতেন বই কিনে অর্থ ও সময় নষ্ট না করাই ভালো। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, আইডিপি অস্ট্রেলিয়া এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের সরাসরি তত্ত্বাবধানেই আইইএলটিএস হয়। তাদের কাছ থেকেই যখন সরাসরি তথ্য পাচ্ছ, তখন অন্য কোথাও যাওয়াটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয় 🙂 ।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
☞IELTS এর বই পরিচিতি 🙂 —
.
Listening: লিসেনিং-এর জন্য Cambridge-এর সিরিজ আছে। খুব ভালো। তবে প্রথম দুটো (মানে 1 এবং 2 খুব সাধারণ মানের)। ভালো কিছু শেখা যাবে 3, 4, 5, 6 -এই বইগুলো থেকে। এই বইগুলো CD-সহ কিনতে হবে। অথবা কারো থেকে পেনড্রাইভে সফ্‌ট কপিও সংগ্রহ করে নিতে পারো 🙂 ।
.
Reading: অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মতে রিডিং-এর জন্য Saifur’s-এর বইটা সহজ এবং বোধগম্য 🙂 ।
.
Writing: রাইটিং-এর জন্য ভালো বই হচ্ছে Moniruzzaman’s IELTS Writing বইটি।
.
Speaking: স্পীকিং-এর জন্য Khan’s Cue-Card 1 এবং 2 বেশ কার্যকরী 🙂 ।
.
☞IELTS এর স্কোর —-
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
এক থেকে নয়-এর স্কেলে আইইএলটিএসের স্কোর দেওয়া হয়। চারটি অংশে আলাদা ভাবে ব্যান্ড স্কোর দেওয়া হয়। এগুলোর গড় করে সম্পূর্ণ একটি স্কোরও দেওয়া হয়। এ পরীক্ষায় কৃতকার্য বা অকৃতকার্য হওয়ার কোনো বিষয় নেই।তোমার প্রয়োজনীয় স্কোর করতে পারলেই পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য সফল হবে। ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইলে সাধারণত সাড়ে ৫ থেকে সাড়ে সাত পেতে হয়। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যান্ড স্কোরও আলাদাভাবে ভালো করতে হয়।
.
সম্পূর্ণ স্কোর যত ভালোই হোক না কেন, একটি বিভাগে স্কোর কমে গেলে ভর্তির সুযোগ না-ও পেতে পার। পরীক্ষা দেওয়ার আগেই জেনে নাও ন্যূনতম কত স্কোর প্রয়োজন। আইইএলটিএস স্কোরের মেয়াদ থাকবে দুই (২) বছর।
.
© বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র­
.
☞ আইইএলটিএস স্কোর স্কেল —
.
আইইএলটিএস স্কোরসমূহের শুরু ১ থেকে ৯ পর্যন্ত। স্কোরগুলোর স্বীকৃতিস্বরুপ হচ্ছে –

✔ ব্যান্ড ৯ দক্ষ ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৮ খুব ভালো ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৭ ভালো ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৬ পর্যাপ্ত ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৫ পরিমিত ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৪ সীমিত ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ৩ অতিরিক্তমাত্রায় সীমিত ব্যবহারকারী
✔ ব্যান্ড ২ ব্যবহারকারী নয়
✔ ব্যান্ড ১ যারা অপ্রাসঙ্গিক উত্তর দিয়েছে বা যারা communicate ব্যর্থ হয়েছে
ব্যান্ড ০ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেনি / উত্তর দেয়নি :3 ।
.
কালকে সকাল ১০ টায় IELTS নিয়ে শেষ পর্বে এই পরীক্ষার অনেক তথ্য বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনসাআল্লাহ।
.
.

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia. fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia.
fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৭

Published January 26, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৭
.
আজকে IELTS নিয়ে শেষ পর্বে অনেক কিছু আলোচনা করলাম আসা করি তোমাদের অনেক কাজে লাগবে 🙂 ।
.
☞ IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতি ও পরীক্ষা সংক্রান্ত কিছু তথ্য—-
.
✳ শুরুতেই একটি মডেল টেস্ট দাও এতে নিজের দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা পাবে।কত নম্বর পেলে স্কোর কেমন হবে, এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে পার 🙂 ।
.
✳ ভুল বানানের জন্য নম্বর কমে যায় তাই বানানে সতর্ক হও।
.
.
✳ যে কয় শব্দে উত্তর দিতে বলা হয়, সে কয় শব্দই লিখতে হবে। দুটি শব্দের মধ্যে উত্তর লিখতে বললে তুমি এক বা দুই শব্দ ব্যবহার করতে পার। কিন্তু দুইয়ের বেশি শব্দ হলে নম্বর পাবে না।
.
✳ ভুল উত্তরের জন্য কোনো নম্বর কাটা যায় না। কাজেই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা কর 🙂 ।
.
✳ স্পিকিংয়ে (speaking) ভালো করতে হলে বন্ধুবান্ধব,পরিচিতদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলার অভ্যাস কর।
.
.
✳ অনেকে খুব ভালো ইংরেজি জানে। কিন্তু বলতে অসুবিধা বোধ করেন। এ পরীক্ষার জন্যই নিয়মিত প্রস্তুতি নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ 🙂 ।
.
✳ প্রশ্নপত্র সমাধান করে তুমি নিজেই অনেকখানি মূল্যায়ন করতে পারবে। তবে আরও নির্ভরযোগ্যতার জন্য মক টেস্ট (Mock Tast) দিতে পার। ব্রিটিশ কাউন্সিল, উইংসসহ (Wings) বিভিন্ন কোচিং সেন্টার যেমন সাইফুরস, মেন্টরস, গেটওয়েতে নির্দিষ্ট ফির বিনিময়ে মকটেস্ট দেওয়া যায়।
.
✳ পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে খুব ভালোভাবে জেনে নাও।
.

☞IELTS এর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া—
.
পরীক্ষার আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ঢাকা, চট্টগ্রাম অথবা সিলেট শাখায়। তাদের অনুমোদিত ‘রেজিস্ট্রেশন পয়েন্ট’ সাইফুর’স, গেটওয়ে ও মেনটরস থেকেও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। পরীক্ষার তিন থেকে চার সপ্তাহ আগেই রেজিস্ট্রেশন করা ভালো 🙂 ।
.
.
পরীক্ষার্থীরা অনলাইনেও রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। ফি পরিশোধ-সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা অনলাইনেই পাওয়া যাবে।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের অফিশিয়াল সাইটের ‘রেজিস্ট্রার ফর আইইএলটিএস’ থেকে ‘রেজিস্ট্রার অনলাইন’ ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য এন্ট্রির মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা সহজেই রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। রেজিস্ট্রেশন করতে খরচ পড়বে ১০ হাজার টাকা 🙂 ।
.
[বি.দ্র: রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর পাসপোর্ট থাকা আবশ্যক। রেজিস্ট্রেশনের সময় পাসপোর্টের ১ম ৪ পৃষ্ঠার ফটোকপি জমা দিতে হবে।]
.
৩ কপি সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট আকারের ছবি ( ছয় মাসের অধিক পুরানো নয় এমন ছবি) এবং রেজিস্ট্রেশন ফরমে চশমা পরিচিত ছবি গ্রহণযোগ্য নয় 🙂 ।
.
.
তোমার নিবন্ধন ফর্ম কাছের কোন ব্রিটিশ কাউন্সিল অফিস অথবা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ব্রাঞ্চের বুথে অথবা রেজিস্ট্রেশন পয়েন্টে জমা দাও 🙂 ।
.
তুমি তোমার পরীক্ষার খরচ ব্যাংক ড্রাফট অথবা নগদ অর্থের মাধ্যমে ব্রিটিশ কাউন্সিলে অথবা রেজিস্ট্রেশন পয়েন্ট অথবা ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিপোজিট স্লিপ পূরন করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের শাখাগুলোতে জমা দিতে পার 🙂 । বিস্তারিত তথ্য জানতে ব্রিটিশ কাউন্সিল এ যোগাযোগ কর।
.
.
☞ British council IELTS Registration Points: ব্রিটিশ কাউন্সিল আইইএলটিএস রেজিস্ট্রেশন পয়েন্টস—–
.
✔ S@ifur’s: Suvastu Tower (3rd Floor), 69/1, Green Road, Panthapath, Dhaka.
.
Tel: +880 2 911 85 11/01824-999 888; website: http://www.saifurs.org
.
✔ Gateway: 3/3 Block-A Lalmatia, Dhaka 1207, (Behind Sunrise Plaza)
.
Tel: +880 2 9125092, 8118250; Fax: 8121727 Ext-120 website: http://www.gateway-edu.net
.
✔ Mentors: 166/1, Mirpur Road, Kalabagan, Dhaka-1205
.
Tel: +880 2 9131828, 9141795; website: http://www.mentors.com.bd
.
☞ Standard Chartered Bank branches for IELTS registration (British Council): আইইএলটিএস রেজিস্ট্রেশনের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের শাখাগুলোঃ (ব্রিটিশ কাউন্সিল)
.
.
✔ Dhanmondi Branch: House –37, Road-2, Dhanmondi R/A, Dhaka 1205.
.
House –11, Road-5, Dhanmondi R/A, Dhaka 1205.
.
✔ Gulshan Branch: Block No. NE (K), 3A/1, Holding No. 168, Gulshan Avenue, Dhaka.
.
✔ SCB House, 67 Gulshan Avenue, Gulshan, Dhaka- 1212.
.
✔ Uttara Branch: House-81 A, Road –7, Sector-4, Uttara, Dhaka-1230.
.
✔ Sheraton Branch: Dhaka Sheraton Hotel (BSL Complex), 1 Minto Road, Dhaka 1000.
.
✔ Mirpur Branch: Plot- 1, Road- 12, Block- C, Section 6, Mirpur, Dhaka 1221.
.

.
☞IELTS পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ—-
.
ব্রিটিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে প্রতি মাসে তিনবার করে বছরে ৩৬ বার আইইএলটিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় 🙂 । আগে, কোনো পরীক্ষার্থী আশানুরূপ না পেলে পরে পরীক্ষা দিতে হতো প্রথম পরীক্ষার অন্তত তিন মাস পর। এখন নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত স্কোর পাওয়ার আগ পর্যন্ত যতবার খুশি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে 🙂 ।
.
সাধারণত আইইএলটিএস ফল প্রকাশিত হয় পরীক্ষার ১৩ দিন পর। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া ব্রিটিশ কাউন্সিল এর ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার্থীর নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, জন্মতারিখ, পরীক্ষা প্রদানের তারিখ এন্ট্রি করে সহজেই জেনে নিতে পারবে আইইএলটিএস পরীক্ষার ফলাফল।
.
.
যদি তোমার পরীক্ষার ফলের ওপর কোন সন্দেহ থাকে তবে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ‘এনকুয়ারি অন রেজাল্ট’-এর জন্য আবেদন করতে পারবে। এজন্য তোমাকে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হবে, ফলাফলে ভুল ধরা পড়লে অবশ্যই তুমি ওই টাকা ফেরত পাবে। ছয় থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই ব্রিটিশ কাউন্সিল তোমার পুনঃনম্বরকৃত ফলাফল ফিরে পাবে এবং তখন ব্রিটিশ কাউন্সিল তোমার সাথে যোগাযোগ করবে 🙂 ।
.
আইইএলটিএস পরীক্ষার ফলাফল। যদি আপনার পরীক্ষার ফলের ওপর কোন সন্দেহ থাকে তবে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ‘এনকুয়ারি অন রেজাল্ট’-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হবে, ফলাফলে ভুল ধরা পড়লে অবশ্যই আপনি ওই টাকা ফেরত পাবেন। ছয় থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই ব্রিটিশ কাউন্সিল আপনার পুনঃনম্বরকৃত ফলাফল ফিরে পাবে এবং তখন ব্রিটিশ কাউন্সিল আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
.
.
☞ পরীক্ষা কেন্দ্রে কি কি নিয়ে যেতে হবে—
.
মেয়াদ আছে এমন একটি আসল পাসপোর্ট
কলম, পেন্সিল এবং রাবার (চাইলে সাপ্নারও নিতে পার)
.
মোবাইল ফোন এবং অনান্য জিনিষ অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে এবং সাথে যা যা ( ব্যাগ, বই ইত্যাদি) ব্যাক্তিগত জিনিসপত্র নির্দিষ্ট দ্বায়িতে থাকা ব্যাক্তির কাছে জমা রাখতে হবে।
.
☞ আইইএলটিএস ও টোফেল এর পার্থক্য–
.
আইইএলটিএসে রাইটিং অংশটি ম্যানুয়ালি যাচাই করা হয় কিন্তু টোফেল সম্পূর্ণ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত। তাই আইইএলটিএসে রাইটিংয়ের দক্ষতা ভালভাবে যাচাই হয়। মজার বিষয় হলো, এখন আইইএলটিএস যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায়ও গ্রহণ করা হচ্ছে, আগে সেখানে শুধু টোফেল স্কোর গ্রহণ করা হতো 🙂 ।
.

আইইএলটিএস পরীক্ষার মানদণ্ড
আইইএলটিএসে পাস-ফেলের ব্যাপার নেই। এখানে নয় ব্র্যান্ডের একটি স্কোরিং পদ্ধতি চালু আছে। প্রতিটি পৃথক সেকশনের ব্র্যান্ডের দ্বারা সামগ্রিক ব্র্যান্ডের মান যাচাই করা হয়। এখানে নয় স্কোর করার মানে হলো, ইংরেজীতে আপনি দারুণ এক্সপার্টর্ট, ইংরেজীর ওপর আপনার সম্পূর্ণ দক্ষতা আছে। আট মানে হলো, প্রায় সম্পূর্ণ দক্ষতা থাকলেও কালেভদ্রে কোন বিশেষ সেকশনে তোমার সমস্যা হয়ে থাকে। সাত স্কোর মানে তুমি চলনসই। এভাবেই ব্র্যান্ডগুলোর বিন্যাস করা হয়েছে 🙂 ।
.
☞ আইইএলটিএসের প্রস্তুতি অনলাইনে—
.
অনলাইনে আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং ভালো স্কোর পেতে সহায়ক এমনসব তথ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে বেশ কিছু ওয়েবসাইট। রাইটিং, রিডিং, স্পিকিংয়ের ওপর বিশদ ধারণা, লেসন, অডিও টিউটোরিয়ালসহ প্রয়োজনীয় সব কিছুই যুক্ত করা হয়েছে এসব সাইটগুলোতে। আইইএলটিএস প্রস্তুতিতে সহায়ক এমন কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা নিচে দিলাম
.

.
http://www.britishcouncil.org/professionals-exams-ielts-intro.htm
.
http://www.ielts-exam.net
.
http://www.ielts.studyau.com
.
http://www.candidates.cambridgeesol.org/cs
.
http://www.cross-link.com/ielts-tutor.html
.
http://www.uefap.co.uk
.
ভালোভাবে শেষ করে ফেললাম IELTS নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। সামনে বেচে থাকলে ইনসাআল্লাহ ভাল কিছু নিয়ে আসব :

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia. fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia.
fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৫

Published January 23, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৫
.
তোমরা নিশ্চয় জানো যে বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে IELTS অত্যান্ত গুরুত্তপূর্ণ 🙂 ।তাই আমি আজ তোমাদের IELTS সম্পর্কে ৪ পর্বের পোস্ট এর মধ্যে আজকে ২য় পর্বো বিস্তারিত আলোচনা করব আশা করি তোমাদের কাজে লাগবে।
.

.
IELTS এর পরীক্ষা পদ্ধতি—–
.
দুটি মডিউলে আইইএলটিএস পরীক্ষা দেওয়া যায়।একাডেমিক এবং জেনারেল ট্রেনিং।স্নাতক,স্নাতকোত্তর অথবা পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য একাডেমিক মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়।কোনো কারিগরি বিষয় বা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হলে সাধারণত জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়।
.
­
.
এ ছাড়া সেকেন্ডারি স্কুলে ভর্তি এবং ইমিগ্রেশনের জন্য জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হবে।
.
আইইএলটিএস পরীক্ষায় বসার আগে জেনে নাও কোন মডিউলে তোমাকে পরীক্ষা দিতে হবে।দুটো পদ্ধতিতে পার্থক্য খুব সামান্য।আইইএলটিএস পরীক্ষায় দুই ধরনের মডিউলেই চারটি অংশ থাকে।
.
✔ Listening
✔ Reading
✔ Writing
✔ Speaking
.
☞ লিসেনিং (Listening)
.
কথোপকথন শুনে বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হয় এ অংশে। চারটি বিভাগে মোট ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।তোমাকে একটা প্যাসেজ ইংরেজিতে বাজিয়ে শোনানো হবে, আর সামনে থাকবে প্রশ্নপত্র, ঐ শোনার ভিত্তিতে তোমাকে উত্তর করতে হবে, কী বোঝানো হয়েছে ঐ অডিও টেপে।
.
­
.
মোটামুটি ৩০ মিনিটের পরীক্ষা হয়।শেষ ১০ মিনিটে উত্তরপত্রে উত্তর লিখতে হয়। একটি বিষয় কেবল একবারই বাজিয়ে শোনানো হয়। কোনো অংশ শুনে না বুঝতে পারলে সেটা নিয়ে আর মাথা না ঘামানোই ভালো। কারণ, এতে পরবর্তী প্রশ্নগুলোর উত্তর বুঝতে না পারার ঝুঁকি থাকে। সঠিক উত্তর বেছে নেওয়া, সংক্ষিপ্ত উত্তর, বাক্য পূরণ ইত্যাদি নানা ধরনের প্রশ্ন থাকতে পারে।
.
☞ রিডিং (Reading)
.
অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মতে IELTS এর সবগুলো পার্টের মধ্যে এটি কঠিন মনে হয়। এখানে তিনটি বিভাগে ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। সময় এক ঘণ্টা। Reading-এ টেস্ট করা হয় একটা প্যাসেজ পড়ে বোঝার ক্ষমতা।তোমাকে বিশাল বিশাল তিন-চারটা প্যারাগ্রাফ দেয়া হবে, তার থেকে তোমাকে অত্যন্ত সিম্পল সিম্পল উত্তর দিতে হবে।কিন্তু ঐ সিম্পল সিম্পল উত্তরগুলো তুমি সহজে পারবেন না,যদি না তুমি প্যাসেজটা ঠিকমতো বুঝতে পার।
.
­
.
প্যাসেজটা তোমাকে ঠিকমতো বুঝতে হলে তোমাকে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে, আর তাহলে বাকি প্যাসেজে সময় কমে আসবে। এভাবেই এই সহজ পরীক্ষাটা সব পরীক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অর্থাৎ এই পরীক্ষায় তুমি যদি কিছু কৌশল রপ্ত না করে চলে যাও, তাহলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পারবে না,সে তুমি যতই কনফিডেন্ট হও না কেন? ইংরেজি মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে। এখানেও বাক্য পূরণ, সংক্ষিপ্ত উত্তর, সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা ইত্যাদি প্রশ্ন থাকবে। পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোয় দাগ দিয়ে রাখ। উত্তর খুঁজে পেতে সুবিধা হবে 🙂 ।
.
☞ রাইটিং (Writing)
.
এখানে যাচাই করা হয় তুমি কতটুকু কল্পনাশক্তি খাটাতে পার এবং একটা বিষয়ের উপরে লিখতে পার।এক ঘণ্টায় দুটি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে।দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে প্রথম প্রশ্নের চেয়ে দ্বিগুণ নম্বর থাকে।এজন্য শুরুতেই দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর ভালোভাবে লিখতে পার।প্রথম প্রশ্নটিতে মোটামুটি ২০ মিনিট সময় দিতে পার। অন্তত ১৫০ শব্দের উত্তর লিখতে হবে। দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর দিতে ৪০ মিনিট নিতে পার। অন্তত ২৫০ শব্দ লিখতে হবে।
.
­
.
শব্দসংখ্যা একটু বেশি হলে ক্ষতি নেই। কিন্তু কম হলে নম্বর কমে যাবে। প্রথম প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো চার্ট, ডায়াগ্রাম থাকে। এ থেকে নিজের কথায় বিশ্লেষণধর্মী উত্তর লিখতে হয়। দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো বিষয়ের পক্ষে, বিপক্ষে মত বা যুক্তি উপস্থাপন করতে হয় 🙂 ।
.
☞ স্পিকিং (Speaking)
.
এখানে কোনো লেখালেখী নেই।তোমাকে নির্দিষ্ট দিনে পরীক্ষাস্থলে (সাধারণত ব্রিটিশ কাউন্সিলে) যেতে হবে। সেখানে দু-তিনজন পরীক্ষকের সামনে তোমাকে বসতে হবে। তাঁরা তোমাকে বিভিন্নভাবে ইংরেজিতে প্রশ্ন করবে,তুমি তাঁর উত্তর দিবে।তিনটি অংশে মোটামুটি ১১ থেকে ১৪ মিনিটের পরীক্ষা হয়। প্রথম অংশে পরীক্ষার্থীকে কিছু সাধারণ প্রশ্ন করা হয়, যেমন –
.

.
পরিবার, পড়াশোনা, কাজ, বন্ধু ইত্যাদি। চার থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে উত্তর দিতে হয়। দ্বিতীয় অংশে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে এবং দুই মিনিট কথা বলতে হয়। এর আগে চিন্তা করার জন্য এক মিনিট সময় দেওয়া হয়। তৃতীয় অংশে চার থেকে পাঁচ মিনিটের জন্য পরীক্ষকের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কথোপকথন চালাতে হয় 🙂 ।

উদাহরন: Suppose, you have visited a Pharmaceutical company. Now would you please explain what did you see there?- মার্কা একটা প্রশ্ন করতে পারে 🙂 ।
.
কালকে সকাল ১০ টায় IELTS নিয়ে ৩য় পর্বে এই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনসাআল্লাহ।
.

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia. fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia.
fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৪

Published January 22, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৪
.
তোমরা নিশ্চয় জানো যে বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে IELTS অত্যান্ত গুরুত্তপূর্ণ।তাই আমি আজ তোমাদের IELTS সম্পর্কে বিস্তারিত বলব আশা করি কাজে লাগবে।
.
­
.
IELTS নিয়ে বিস্তারিত ৪ পর্বের পোস্ট দিব ইনসাআল্লাহ।আজকে থাকছে প্রথম পর্ব—-
.
আইইএলটিএস’ হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সনদ, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। IELTS (The International English Language Testing System)। যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয় তাদের অনেক দেশে স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা কিংবা ভিসার আবেদন করতে ভালো আইইএলটিএস স্কোর থাকতে হয়।
.
­
.
আইইএলটিএস পরীক্ষাপদ্ধতি দুই ধরনের, ‘একাডেমিক’ ও ‘জেনারেল’।স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষায় বিদেশে যেতে ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের ‘একাডেমিক আইইএলটিএস’ টেস্টে অংশ নিতে হয়। যে কেউ এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।এ জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই 🙂 ।
.
তোমরা জানো কিনা জানি নাহ বিশ্বজুড়ে
১৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী উচ্চশিক্ষা ও চাকরির লক্ষ্যে প্রতিবছর আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নেন 🙂 ।
.
­
.
স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশে ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোর থাকা বাধ্যতামূলক। গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে টোফেলের চেয়ে অনেক এগিয়ে আইইএলটিএস 🙂 ।
.
☞ পরীক্ষা পরিচালনা
.
ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে পরিচালনা করে আইইএলটিএস পরীক্ষা।এ পরীক্ষায় নীতি নির্ধারক কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বিশ্বব্যাপরী পরীক্ষা পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কাছে তথ্য পৌছে দেওয়ার মূল ভূমিকা পালন করছে বিট্রিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া। সারা বিশ্বে একই প্রশ্নপত্র ও অভিন্ন নিয়মে পরিচালিত হয় 🙂 ।
.
☞ কিছু ভুল ধারণা
.
অনেকেই মনে করেন আইইএলটিএস অনেক কঠিন একটি পরীক্ষা। আসলে এটি ভুল ধারণা। ব্রিটিশ কাউন্সিল সূত্র মতে, ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষ হয়েও এ পরীক্ষায় ভালো স্কোর সম্ভব। যদিও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া কিংবা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যেভাবে আইইএলটিএস পরীক্ষা পরিচালিত হয় বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয় 🙂 ।
.
­
.
কালকে সকাল ১০ টায় IELTS নিয়ে ২য় পর্বে এর পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনসাআল্লাহ।
.

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia. fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia.
fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

স্কলারশীপ সংক্রান্ত পোস্ট পর্ব-০৩

Published January 19, 2016 by বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ও সহযোগিতা কেন্দ্র

স্কলারশিপ সংক্রান্ত পোস্ট – পর্ব ৩
.
পাসপোর্ট নিয়ে ৩ পর্বের পোস্ট এর মধ্যে আজকে শেষ পর্ব দিলাম 🙂 ।
.

.
পঞ্চম ধাপ – পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট রিসিভ ডেট ( টিপস সহ) 🙂 ।
.
পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে।যদি তোমার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয়,তবে দুই জায়গাতেই তোমার ভেরিফিকেশান হয়ে থাকে।পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে 🙂 ।
.

.
এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার >.< ।সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে :-/ !!!!!
.
তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব 🙂 ।তুমি কীভাবে তাদের ফেইস করছো সেটার উপর নির্ভর করে।সরাসরি বলে দিতে পারো যে, এইটা আপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন :-/ ।কিংবা বলতে পারো যে,তুমি ছাত্র,টাকা দেয়া সম্ভব না।ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি :-/ !
.

.
যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে তোমার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই তুমি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবে 🙂 ।
.
ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।
.
ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ 🙂
.
এইখানে কাজ সহজ।পাসপোর্ট অফিসে চলে যাও।লাইনে দাঁড়াও।
.

.
সাথে রিসিট আর কলম রাখ।১০ টার দিকে গেইট খুলবে।লাইন ধরে প্রবেশ করো।
.
রিসিট জমা দাও।অপেক্ষা কর 🙂 ।
.
এবার তোমার নাম ডাকবে।
.
সাইন করো আর বুঝে নাও তোমার পাসপোর্ট।
.
টিপস – হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করো তোমার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা।নিজের এবং পিতামাতার নাম, ঠিকানা এবং অন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নাও 🙂 ।
.

.
সব ঠক থাকলে,বলো ইয়াহুউউউ 😉 😉 !
.
এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের আত্মকাহিনী আশা করি তোমাদের কাজে লাগবে 🙂 ।সবার জন্য শুভকামনা।হ্যাপি পাসপোর্টিং 🙂 !

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia. fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

Naeem Islam, Taylor University, Malyasia.
fb id: http://www.facebook.com/naeem.islam.756

%d bloggers like this: