Instructional Post

  • যেভাবে পড়বেন পদার্থবিজ্ঞান

ভার্সিটির এডমিশন টেস্টে অল্প পড়ে বেশী
মার্কস ওঠানোর জন্য পদার্থবিজ্ঞান এক অন্যতম
সাব্জেক্ট। আপনি একটু বুঝে বুঝে আর টেকনিক
খাটিয়ে পড়লেই এই বিষয়ে যেকোন
ভার্সিটির এডমিশন টেস্টে ৭০-৮০% এন্সার খুব সহজেই করতে পারবেন।
কিন্তু অনেকেই নাকি এই পদার্থবিজ্ঞানকে ভয় পায়।

তবে চলুন কি কি পড়লে আর কিভাবে পড়লে
আমাদের এই পদার্থবিজ্ঞানের ভয়টা দূর হয়ে যাবে
সেটা দেখি।

#১. যেকোন বিষয় পড়ার আগেই মূল বইটা অবশ্যই
পড়ে নিতে হবে। হোক সেটা পদার্থ বা রসায়ন বা
জীববিজ্ঞান অথবা অন্য কোন বিষয়।আর
পদার্থবিজ্ঞানে ভালো করার জন্য মূল বইয়ের
কোন বিকল্প নেই।

#২. আপনি যদি ইঞ্জিনিয়ারিং
পরীক্ষা দিতে চান যেমন BUET,KUET,RUET,CUET বা SUST এ তবে আপনি জাস্ট মূলবইয়ের অনুশীলনী আর উদাহরণে
যতগুলো ম্যাথ রয়েছে সেগুলো খুব ভালো
করে বুঝে বুঝে লিখে লিখে সমাধান করুন
তাহলেই পরবর্তীতে দেখবেন আপনি সিংহভাগ
প্রশ্নের সাথে পরিচিত হয়ে গেছেন।

#৩.বাজারে বিগত বছরের প্রশ্নসম্বলিত বহু প্রশ্নব্যাংক পাওয়া যায় একটা পছন্দমতো কিনে বিগত বছরের প্রশ্মগুলো প্রাক্টিস করুন। দেখবেন মূল বইয়ের অংকগুলো করার পর আপনি বেশীরভাগ প্রশ্নেরই উত্তর করতে পারছেন।

#৪. যদি সাধারন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পরীক্ষা দিতে
চান যেমন ; ঢাবি,জাবি,রাবি,চবি ইত্যাদিগুলোতে তবে মেইনবইয়ের বোল্ড লাইনগুলো, সূত্রগুলো,
সূত্রের সাথে সম্পর্কগুলো,আর সকল প্রিভিয়াস
ইয়ারের প্রশ্নগুলো সলভ করবেন তাহলেই খেল
খতম।

#৫. মোস্ট ইম্পরটেন্ট ফর both (ভার্সিটি এন্ড
ইঞ্জিনিয়ারিং) সেটা হচ্ছে সূত্রের কনভার্ট করা।
বিজ্ঞানের প্রত্যেকটা সূত্র একটা আরেকটার
সাথে রিলেটেড। কোন সূত্রটা কোনটা থেকে
কিভাবে এলো সেটা যদি বুঝে বুঝে করতে
পারেন,আর সূত্রের সাথে সমানুপাতিক আর
ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কগুলো যদি বুঝতে পারেন
তাহলে পদার্থবিজ্ঞানে আপনাকে আর কেউ ঠেকাতেই পারবেনা ইনশাআল্লাহ। মনেরাখবেন, “পদার্থের সূত্রে যে বস, সে পদার্থবিজ্ঞানে বস” তাই
বেশী বেশী করে সূত্র মনে রাখার চেষ্টা করবেন।

#৬. প্রেক্টিস করুন, এই সকল টিপস বা ট্রিক
আপনার কোন কাজেই আসবে না, যদিনা আপনি বারবার প্রেক্টিস করেন। মনে রাখবেন সফলতার এনার্জি পটেনশিয়াল হলো কনফিডেন্স,আর যতো
বেশী প্রেক্টিস করবেন ততোবেশী
কনফিডেন্স বাড়বে,সাথে আপনার সফলতার পথও
সুগম হবে।

সফলতা সবসময় লুকিয়ে থাকতে পছন্দ করে,আপনি আপনার পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস দিয়ে সফলতাকে টেনে হিচড়ে বের করবেন সেই আশায় ই রইলাম। টাটা 🙂

#কাকন

 

  • উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ১ম পত্র

প্রথমেই বলে নেই এইধরনের টেকনিক হয়তো অনেকেই জানো।
এইধরনের পোস্ট তাদের জন্য যারা জানেনা।

বাংলা এমন একটা সাবজেক্ট যার প্রতিটা লাইনে সাধারন জ্ঞান টাইপ প্রশ্ন পাওয়া যায়!
তুমি একটু মাথা খেলালেই বিষয়টা ধরতে পারবে।
আর আমরা বাংলা বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আটকাই লেখকের জন্ম-মৃত্যু তারিখ,বইয়ের নাম,কোন ছন্দের কবিতা এসবে।
ছোটবেলা থেকেই আমি আটকে যেতাম এই যায়গাগুলোয়।

আজ লেখকের জন্ম-মৃত্যু সাল নিয়ে টেকনিক বলে দিচ্ছি।
আমি প্রথম কয়েকটা পাঠের বলে দিবো।বাকি কাজ তুমি করবে।

আমাদের কিছু না হোক অন্তত মোবাইল নাম্বার মনে থাকে!
সেটাকেই কাজে লাগাবে তুমি।

একটা ব্যাপার খেয়াল করেছো কিনা জানিনা,বাংলা প্রথম পত্রে লেখকের লেখাগুলা সাজানো হয়েছে সালের সিরিয়াল অনুযায়ী।যে আগে জন্মগ্রহণ করেছেন তার লেখা আগে।মিলিয়ে নিও।

বাংলা প্রথম পত্রের প্রতিটা পাঠ কোনটার পর কোনটা আছে তা মনে রাখবে।না হলে সব গড়বড় করে ফেলবে।

এইচএসসি বাংলা প্রথম পত্রের প্রথম ৪ টি পাঠের লেখকের জন্ম-মৃত্যুর টেকনিক বলে দিচ্ছি।বাকি পাঠগুলো তুমি বের করো।

১।কমলাকান্তের জবানবন্দি-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়(১৮৩৮-১৯৯৪)।
২।হৈমন্তি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(১৮৬১-১৯৪১)।
৩।সাহিত্যে খেলা-প্রমথ চৌধুরি(১৮৬৮-১৯৪৬)
৪।বিলাসী-শরতচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়(১৮৭৬-১৯৩৮)

প্রথম সাল জন্মসাল।দ্বিতীয়টা মৃত্যু সাল।

এখন এই চারটা লেখকের জন্মসালকে মোবাইল নাম্বার বানাও।
যেমন-০১৭৩৮-৬১৬৮৭৬।
০১৭ হচ্ছে জন্মসালের কোড।
তারপর ৩৮ দিয়ে হচ্ছে বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মসালের শেষ দুই অঙ্ক।
৬১ দিয়ে রবীন্দ্রনাথ।
৬৮ দিয়ে প্রমথ চৌধুরির আর ৭৬ দিয়ে শরতচন্দ্রের ।
ক্লিয়ার?

এখন আসো মৃত্যুতে।
যেমন-০১৮৯৪-৪১৪৬৩৮।
ব্যাখ্যা-০১৮ হচ্ছে মৃত্যু কোড।একই কোড জন্ম মৃত্যুতে দিওনা।প্যাচ লাগাইয়া দিবা।
৯৪ হচ্ছে বঙ্কিমের মৃত্যুর লাস্ট দুই অঙ্ক।
৪১ হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ মৃত্যু।
৪৬ হচ্ছে প্রমথ চৌধুরির মৃত্যু।
৩৮ হচ্ছে শরতচন্দ্রের মৃত্যু।

সুতরাং,
জন্ম-০১৭৩৮-৬১৬৮৭৬
মৃত্যু-০১৮৯৪-৪১৪৬৩৮।

ক্লিয়ার?

একইভাবে পরের পাঠগুলোর নিজে নিজে বানাও।
এভাবে মনে রাখাটা সবচেয়ে সোজা।
মনে থাকবে অনেকদিন।
তবে টাচে থেকো এইগুলার।
নিজের মোবাইল নাম্বার অনেকদিন না পড়লে সেটাই ভুলে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

এইভাবে মনে রাখলে ভার্সিটি এডমিশন,যেকোনো পরিক্ষায় পারবে আশা রাখি।

অন্য ক্লাসের শিক্ষার্থীরাও একই টেকনিক কাজে লাগিয়ে সাল মাথায় গেঁথে রাখতে পারো।

আরো টেকনিক নিয়ে আসবো আগামী পোস্টে।সাথে থাকো।

 

Shakib Iftekhar, CU

 

  • English

যেকোনো পরিক্ষায় ইংরেজি এক বিভীষিকার নাম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০% স্টুডেণ্ট ফেলের কারণ হচ্ছে ইংরেজি।
তাই তোমার ইংরেজিতে একটা আলাদা দক্ষতা থাকতে হবে।
আজ তোমাদের অন্তত পরিক্ষায় ভালো করার জন্য কি করতে পারো তা বলছি-

১।তোমাদের পাঠ্যবই(বোর্ড বই) এর অচেনা শব্দগুলো আয়ত্ত্বে আনবে।মানে সব পারার দক্ষতা থাকতে হবে।

২।সাইফুর’স ভোকাবুলারি বইটা কিনে নাও।ভালো বই।দুইটা পার্ট আছে এটার যতটুকু জানি।আমার কাছে পার্ট বি আছে।

৩।তুমি ইংরেজি সহজে পারতে হলে আগে ভোকাবুলারি প্রচুর পড়তে হবে।৫০০ টা পড়লে যে ৫০০ টাই মনে থাকবে এমন না।মিনিমাম ২০০ টা মনে থাকবে ভালো করে পড়লে।ভাবতে পারো এতো কম?আগে ২০০ টা তো মনে রাখো তারপরে বলিও মাত্র ২০০।

৪।ভোকাবুলারি মনে থাকেনা?খাতায় লিখো মুখস্ত করার পর।প্রতিটা শব্দ ১০/১২ বার লিখো।আর প্রতিটা শব্দ খাতায় লিখার সময় আলাদা আলাদা কালার ইউজ করো।মাথায় দ্রুত গেঁথে যাবে।আর সেই খাতার লেখাগুলো চোখের সামনে রেখো সবসময়।ইংরেজি শেখাটা এতো সহজ না রে ভাই।কষ্ট করতে হবে অনেক।

৫।এখন আসি গ্রামারে।গ্রামার প্রাকটিস করতে হবে।প্রাকটিস ছাড়া তুমি কখনোই গ্রামারে দক্ষতা আনতে পারবেনা।

৬।গ্রামার রুলস মুখস্ত করে কেউ কখনো দক্ষতা আনতে পারবেনা।একটা রুল পড়ে সেটার ৫/৬ টা উদাহরন প্রাকটিস করতে হবে।আবার সেই উদাহরগুলো যেনো একটানা না হয়।একটানা হলে একটু পর রুল ভুলে যাবে।বা পরে এই রুলের আরেকটা এক্সাম্পল পারবেনা।বুঝতে না পারলে ক্লিয়ার করছি-
ধরো তুমি একটানা ৫ টা রুল পড়লে।একটা রুলও মনে থাকবেনা।এখন তুমি ১০০ টা প্রশ্ন প্রাকটিস করো।১০০ টার মধ্যে ২০/৩০ টা থাকবে তোমার পড়া রুলের মধ্যে।আবার এই রুলগুলোর প্রশ্ন ছড়িয়ে থাকবে।একটা প্রশ্নের থেকে অন্য প্রশ্নের গ্যাপ থাকবে।তো তুমি প্রাকটিস করতেছো কিন্তু একটাও কমন না!হঠাত একটা চোখে পড়লো আরেহ একটা তো তোমার পড়া রুলের মতো।সাথে সাথে ওই রুল ইউজ করলে আনসার দিলে।কারেক্ট!
এভাবে সেম নিয়মে আরো দুই/তিনটা পাবে।আর এগুলো পারলেই দেখবে ১০ দিন পরেও যদি এই নিয়মের আরেকটা পাও তাহলে উত্তর দিতে পারছো।

৭।গ্রামারের জন্য তুমি ইউসিসি প্রকাশিত ‘কমপ্যাক্ট’ বই কিনতে পারো।
প্রাকটিসের জন্য কিনতে পারো ‘ইংলিশ ফর কম্পেটিটিভ এক্সাম’ বইটি।

অনেকে টোফেল বই ফলো করতে বলবে।
কেউ টোফেল বুঝানোর না থাকলে সেটা ফলো না করাই বেটার আই থিংক।
বুঝবেনা কিচ্ছু।
তবে বুঝতে পারলে দূর্দান্ত হবে।

৮।ইংলিশ পেপার,বই অবসর সময়ে পড়তে পারো।এ কাজটা কেউ করবেনা জানি।প্রতিদিন পেপার না কিনে সাপ্তাহিক ইংরেজি পেপার কিনো।পুরো সপ্তাহ ওইটা পড়।

৯।এইচএসিতে ভালো করতে হলে বিগত সালের সব বোর্ড প্রশ্ন খতম করো।আরো ভালো প্রিপারেশনের প্রয়োজন?উপরের ১ নং থেকে ৮ নং ফলো করো।
আর হ্যা তুমি যদি ভাবো বোর্ড ফলো করলেই পার পেয়ে গেছো তাহলে অন্ধকারে আছো।২0১৪ সালের সিলেট বোর্ডের পরিক্ষার্থীরা ভালোভাবেই টের পেয়েছে।

১০।আর তুমি যদি ভার্সিটি এডমিশন এবং এইচএসসির প্রিপারেশন নিয়ে রাখতে চাও তাহলেও ১ থেকে ৮ ফলো করো।

১১।আর বিভিন্ন কলেজের টেস্ট পরিক্ষার প্রশ্ন সলভ করো।

১২।প্যাসেজ পড়ার দক্ষতা থাকা দরকার।ধৈর্য থাকা দরকার।
বোর্ড প্রশ্নে প্যাসেজ গুরুত্ব দেওয়া হয়।ভার্সিটি এডমিশন টেস্টেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।আর তুমি গুরুত্ব না দিলে হবে?
যদিও সবচেয়ে বিরক্তিকর কাজ এইটা।
তবে পড়তেই হবে।
তোমাকে পারতেই হবে।

আর মাথায় আসছেনা ভাই।
শেষ কথা এটাই যে অনুশীলন করতে হবে প্রচুর।
বই হাজারটা ফলো করলে,রুল পড়লে হবেনা যদি তুমি অনুশীলন না করো।

#প্রশ্ন
ভাইয়া প্রতিদিন ইংরেজি কত ঘণ্টা পড়বো?

#উত্তর
কি করে বলি ভাইয়া!আমি প্রতিদিন ৫/৬ ঘণ্টারও বেশি পড়ছি।তবে সময়ভিত্তিক পড়িনি।পড়াভিত্তিক পড়ছি।
আজ এতোটুকু না পড়ে টেবিল থেকে উঠবোনা।মোবাইল অফ।সময় নিয়ে পড়েছি যতক্ষন পারি।শেষ করে তবেই উঠেছি।ততক্ষনে হয়তো ৫/৬ ঘণ্টা চলে গেছে।তাতে কি!ভালো লাগতো আজ যা পড়লাম তা ভালোভাবে মাথায় ঢুকিয়ে নিতে পেরেছি বলে!
তবে অন্য সাবজেক্টগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছি।সময় কিছুটা কম দিলেও ভালোভাবে পড়ে টেবিল থেকে উঠেছি।
তোমার যেভাবে সুবিধা পড়ো।
কিন্তু পড়া যেন পারফেক্ট হয়।
একটু আধটু পড়েই ‘অনেক পড়লাম!এখন মোবাইল গুতাই’ টাইপ পড়লে হবেনা।

আমি আমার ক্ষমতার বাইরে যেতে পারিনা।যতটুকু পারি বললাম।
বাকিটা তোমার উপর।

 

Shakib Iftekhar, CU

%d bloggers like this: